গাইবান্ধা, রংপুর

বালাসী ঘাট

গাইবান্ধা শহরের পূর্বে ব্রহ্মপুত্রের ঘাট — বিস্তীর্ণ নদীর দৃশ্য, চরে আর ওপারের বাহাদুরাবাদে নৌকা, আর সূর্যাস্তে প্রাণবন্ত নদীর পাড়।

স্থানীয় খাবার

  • ব্রহ্মপুত্রের মাছ

    বালাসী ঘাট

    ঘাটের দোকানে ভাজা নদীর মাছ আর ভাত।

  • রসমঞ্জরি

    বালাসী ঘাট

    ফেরার পথে শহর থেকে গাইবান্ধার বিখ্যাত মিষ্টি কিনে নিন।

  • চা আর ঝালমুড়ি

    বালাসী ঘাট

    সূর্যাস্তে নদীর পাড়ের দোকান থেকে।

কোথায় খাবেন

  • ঘাটের খাবারের দোকান

    বালাসী ঘাট

    ভাত-মাছের সাধারণ দোকান আর চায়ের দোকান; গাইবান্ধা শহরে বিকল্প বেশি।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • গাইবান্ধা শহর

    গাইবান্ধা সদর

    শহর থেকে আধা দিনেই বালাসী ঘুরে আসা যায়।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

বালাসী গাইবান্ধার সেই ঘাটগুলোর একটি, যেখানে জেলা ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিশেছে। দীর্ঘদিন ফুলছড়ি-বালাসী আর জামালপুরের বাহাদুরাবাদের মধ্যকার পারাপার ছিল উত্তর আর ঢাকার মূল পথের অংশ, দুই পাড়ে ট্রেন এসে ফেরির সঙ্গে মিলত। ১৯৯৮ সালে যমুনা সেতু চালু হওয়ার পর বেশির ভাগ যাতায়াত সেদিকে সরে যায়।

ঘাটটি এখনো চর আর ব্রহ্মপুত্রের ওপারে যাওয়া নৌকার চালু নদীবন্দর, আর গাইবান্ধা শহরের মানুষের প্রিয় নদীতীরের বেড়ানোর জায়গা হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে ছুটির দিনের বিকেলে।

পাড় থেকে দেখা যায় দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ব্রহ্মপুত্র, মাঝে মাঝে বালুচর আর চরের গ্রাম — যে দৃশ্য বুঝিয়ে দেয়, এই জেলায় প্রায় সবকিছুই কেন নদী গড়ে দেয়।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

বালাসী ঘাটে একটি বিকেল

আধা দিন
  1. ধাপ ১: শহর থেকে রওনা

    দুপুরের খাবারের পর গাইবান্ধা শহর থেকে সিএনজি বা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিন।

  2. ধাপ ২: ঘাট

    নদীর পাড় ধরে হাঁটুন, চর থেকে নৌকার আসা-যাওয়া দেখুন।

  3. ধাপ ৩: অল্প নৌকাভ্রমণ

    নদী শান্ত থাকলে স্থানীয় মাঝির নৌকা ভাড়া করে কাছের চরের দিকে ঘুরে আসুন।

  4. ধাপ ৪: সূর্যাস্ত আর ফেরা

    ব্রহ্মপুত্রের ওপর সূর্যাস্ত দেখে শহরে ফিরুন, রসমঞ্জরি কিনে নিন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে মার্চ, পড়ন্ত বিকেলে; বর্ষার বন্যার সময় এড়িয়ে চলুন

কীভাবে যাবেন

গাইবান্ধা শহর থেকে পূর্বে সিএনজি বা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় অল্প পথ, সাধারণত এক ঘণ্টার অনেক কম; চালকেরা ঘাট চেনেন।

শহরে চলাচল

ঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা যাত্রী নিয়ে চরে আর নদীর ওপারে যায়, আর অল্প ঘোরার জন্য ছোট নৌকা ভাড়া পাওয়া যায়। রওনা দেওয়ার আগে পথ আর ফেরার ব্যাপারে কথা পাকা করে নিন।

ভ্রমণ টিপস

  • ব্রহ্মপুত্রে স্রোত তীব্র আর হঠাৎ বাতাস ওঠে; কেবল অভিজ্ঞ স্থানীয় মাঝির নৌকায় উঠুন, অতিরিক্ত বোঝাই নৌকা এড়িয়ে চলুন, আর সম্ভব হলে লাইফ জ্যাকেট পরুন।
  • ঝড়, কুয়াশা বা অন্ধকারে নদী পার হবেন না।
  • চরে বা বাহাদুরাবাদে যাওয়ার আগে ঘাটে নৌকা চলাচল আর ফেরার শেষ নৌকার খবর নিন।
  • নদীতে সাঁতার কাটবেন না।
  • ছুটির দিনের বিকেলে ভিড় হতে পারে; সপ্তাহের অন্য দিন শান্ত।

ঘুরে দেখুন