ধরলার পাড়ে একটি সন্ধ্যা
২–৩ ঘণ্টাধাপ ১: বাঁধের পথে
পড়ন্ত বিকেলে শহর থেকে রিকশা নিন।
ধাপ ২: নদীর পাড়ে হাঁটা
বাঁধ ধরে হাঁটুন, আর শুকনো মৌসুমে বালুচরে নেমে যান।
ধাপ ৩: সূর্যাস্ত আর চা
দোকানের চা হাতে নদীর ওপর সূর্যাস্ত দেখে শহরে ফিরুন।
কুড়িগ্রাম, রংপুর
ধরলা বয়ে গেছে কুড়িগ্রাম শহরের পাশ দিয়েই; এর সেতু, বাঁধ আর বালুচরে শহরের মানুষ হাঁটতে, বসতে আর সূর্যাস্ত দেখতে আসে।
ধরলা হিমালয়ের পাদদেশ থেকে ভারত হয়ে লালমনিরহাট দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে কুড়িগ্রাম শহরের পাশ দিয়ে বয়ে ব্রহ্মপুত্রে মিশেছে। জেলার অন্য নদীগুলোর মতো বর্ষায় এটি ফুলে ওঠে আর পাড় ভাঙে, আর শহরের পাশের বাঁধ তা ঠেকানোর চেষ্টারই অংশ।
পর্যটকের জন্য নদীর পাড় কুড়িগ্রামের প্রতিদিনের অবকাশ: শুকনো মৌসুমে পানি সরে গিয়ে বিস্তীর্ণ বালুচর জাগে, আর সন্ধ্যায় বাঁধে ও সেতুর কাছে পরিবার, শিক্ষার্থী আর চা-বিক্রেতাদের ভিড় জমে।
পড়ন্ত বিকেলে শহর থেকে রিকশা নিন।
বাঁধ ধরে হাঁটুন, আর শুকনো মৌসুমে বালুচরে নেমে যান।
দোকানের চা হাতে নদীর ওপর সূর্যাস্ত দেখে শহরে ফিরুন।
অক্টোবর থেকে মার্চ, পড়ন্ত বিকেলে
কুড়িগ্রাম শহরের প্রান্তেই; রিকশা বা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় অল্প পথে ধরলা সেতু ও বাঁধ।