কুড়িগ্রাম, রংপুর

ধরলার পাড়

ধরলা বয়ে গেছে কুড়িগ্রাম শহরের পাশ দিয়েই; এর সেতু, বাঁধ আর বালুচরে শহরের মানুষ হাঁটতে, বসতে আর সূর্যাস্ত দেখতে আসে।

স্থানীয় খাবার

  • চা আর ঝালমুড়ি

    ধরলার পাড়

    সন্ধ্যায় বাঁধের ধারের দোকান থেকে।

  • শীতের পিঠা

    ধরলার পাড়

    শীতে রাস্তার পাশের দোকানে ভাপা আর চিতই পিঠা।

কোথায় খাবেন

  • কুড়িগ্রাম শহরের কেন্দ্র

    কুড়িগ্রাম সদর

    নদীর পাড় ঘুরে ভরপেট খাওয়ার জন্য কাছেই রেস্তোরাঁ।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

ইতিহাস

ধরলা হিমালয়ের পাদদেশ থেকে ভারত হয়ে লালমনিরহাট দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে কুড়িগ্রাম শহরের পাশ দিয়ে বয়ে ব্রহ্মপুত্রে মিশেছে। জেলার অন্য নদীগুলোর মতো বর্ষায় এটি ফুলে ওঠে আর পাড় ভাঙে, আর শহরের পাশের বাঁধ তা ঠেকানোর চেষ্টারই অংশ।

পর্যটকের জন্য নদীর পাড় কুড়িগ্রামের প্রতিদিনের অবকাশ: শুকনো মৌসুমে পানি সরে গিয়ে বিস্তীর্ণ বালুচর জাগে, আর সন্ধ্যায় বাঁধে ও সেতুর কাছে পরিবার, শিক্ষার্থী আর চা-বিক্রেতাদের ভিড় জমে।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

ধরলার পাড়ে একটি সন্ধ্যা

২–৩ ঘণ্টা
  1. ধাপ ১: বাঁধের পথে

    পড়ন্ত বিকেলে শহর থেকে রিকশা নিন।

  2. ধাপ ২: নদীর পাড়ে হাঁটা

    বাঁধ ধরে হাঁটুন, আর শুকনো মৌসুমে বালুচরে নেমে যান।

  3. ধাপ ৩: সূর্যাস্ত আর চা

    দোকানের চা হাতে নদীর ওপর সূর্যাস্ত দেখে শহরে ফিরুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে মার্চ, পড়ন্ত বিকেলে

কীভাবে যাবেন

কুড়িগ্রাম শহরের প্রান্তেই; রিকশা বা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় অল্প পথে ধরলা সেতু ও বাঁধ।

ভ্রমণ টিপস

  • পড়ন্ত বিকেল আর সূর্যাস্ত সবচেয়ে ভালো সময়।
  • সাঁতার কাটবেন না; বিশেষ করে বর্ষায় স্রোত তীব্র হতে পারে।
  • কেবল শান্ত আবহাওয়ায় স্থানীয় মাঝির নৌকায় ঘুরুন।
  • সেতুর গাড়ি চলার পথে দাঁড়াবেন না, যানবাহনের দিকে খেয়াল রাখুন।
  • শীতে সন্ধ্যা দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়; গরম কাপড় সঙ্গে রাখুন।

ঘুরে দেখুন