দিনাজপুর, রংপুর

রামসাগর

রাজা রামনাথের খনন করা আঠারো শতকের বিশাল দিঘি, এখন দিনাজপুর শহরের ঠিক দক্ষিণে ছায়াঘেরা জাতীয় উদ্যানের কেন্দ্র।

স্থানীয় খাবার

  • পিকনিকের খাবার

    রামসাগর

    অনেক পরিবার নিজেরা খাবার আনে; গেটের কাছে সাধারণ নাশতার দোকানও আছে।

  • মৌসুমে লিচু

    রামসাগর

    মে মাসের শেষ আর জুনে শহরে ফেরার পথে তাজা লিচু কিনে নিন।

কোথায় খাবেন

কোথায় থাকবেন

ইতিহাস

রামসাগর খনন করা হয় আঠারো শতকের মাঝামাঝি, দিনাজপুরের রাজা রামনাথের নির্দেশে — যিনি কান্তজিউ মন্দিরের কাজও শেষ করেন। জনশ্রুতি অনুযায়ী খরার সময় এলাকায় পানির জোগান দিতে এটি কাটা হয়। একে প্রায়ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মানুষের তৈরি দিঘি বলা হয় — প্রায় এক কিলোমিটার লম্বা আয়তাকার স্থির জলাধার, পশ্চিম পাড়ে পুরোনো ইটের ঘাটের চিহ্ন।

২০০১ সালে দিঘির পাড় আর আশপাশের জমি নিয়ে গড়ে তোলা হয় রামসাগর জাতীয় উদ্যান। এখন এটি দিনাজপুরের মানুষের প্রিয় বেড়ানোর জায়গা: পানির ধারে গাছে ঘেরা পথ, ছোট হরিণ বেষ্টনী আর পিকনিকের জায়গা।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

রামসাগরে এক সকাল

৩–৪ ঘণ্টা
  1. ধাপ ১: ভোরে রওনা

    ঠান্ডা থাকতে থাকতে শহর থেকে অটোরিকশায় দক্ষিণে যান।

  2. ধাপ ২: পাড় ধরে হাঁটা

    পানির ধারে গাছে ঘেরা পথ ধরে পুরোনো ঘাট পর্যন্ত হাঁটুন।

  3. ধাপ ৩: বিশ্রাম ও চা

    পানির ধারে বসুন, তারপর গেটের কাছে চা খান।

  4. ধাপ ৪: দিনাজপুরে ফেরা

    দুপুরের খাবারের জন্য ফিরুন, অথবা রাজবাড়ির দিকে যান।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে মার্চ; ভোরে বা বিকেলে, আর নিরিবিলির জন্য কাজের দিনে

কীভাবে যাবেন

দিনাজপুর শহর থেকে দক্ষিণে প্রায় ৮ কিলোমিটার; ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা সিএনজিতে ২০–৩০ মিনিট।

শহরে চলাচল

উদ্যানটি পাড় ধরে হেঁটে দেখাই সবচেয়ে ভালো; এক থেকে দুই ঘণ্টা হাতে রাখুন।

ভ্রমণ টিপস

  • উদ্যানের গেটে প্রবেশ টিকিট লাগে; বর্তমান মূল্য ও সময় স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।
  • ছুটির দিন আর শীতের পিকনিক মৌসুমে প্রচুর ভিড় হয়।
  • দিঘিতে সাঁতার কাটবেন না, পানিতে ময়লা ফেলবেন না।
  • সেরা দৃশ্যের জন্য পুরো পাড় ধরে হাঁটুন।
  • পানি সঙ্গে রাখুন, আরামদায়ক জুতা পরুন।

ঘুরে দেখুন