মাদারীপুর, ঢাকা

চরমুগুরিয়া

মাদারীপুর শহরের কাছে পুরোনো নদীবন্দর-বাজার, এর ঘরবাড়ি আর গাছপালায় বাস করা বানরের দলের জন্য পরিচিত।

স্থানীয় খাবার

  • বাজারের চা-নাশতা

    চরমুগুরিয়া

    বাজারের দোকানের চা, পুরি আর সিঙাড়া।

  • খেজুরের গুড়

    চরমুগুরিয়া

    শীতে স্থানীয় বাজারে টাটকা খেজুরের গুড় বিক্রি হয়।

কোথায় খাবেন

কোথায় থাকবেন

  • মাদারীপুর শহর

    মাদারীপুর সদর

    শহরে থাকুন; চরমুগুরিয়া অল্প পথের দূরত্বে।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

নৌকায় মালামাল চলাচলের যুগে চরমুগুরিয়া নদীবন্দর ও বাণিজ্যিক বাজার হিসেবে গড়ে ওঠে, এর পুরোনো দালানকোঠা সেই ব্যস্ত অতীতের কথা মনে করায়।

আজ এটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত এর বানরের জন্য: বাজারের আশপাশের গাছে আর ছাদে মানুষের পাশাপাশি রেসাস বানরের দল বাস করে। গাছপালা আর খাবার কমে যাওয়ায় এদের সংখ্যা কমেছে, স্থানীয় মানুষ ও দর্শনার্থীরা প্রায়ই এদের জন্য খাবার নিয়ে আসেন।

ছোট কিন্তু ব্যতিক্রমী এক যাত্রাবিরতি — বাংলাদেশের এক শহরে বন্য বানরের জীবন দেখার সুযোগ।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

চরমুগুরিয়ায় এক সকাল

২–৩ ঘণ্টা
  1. ধাপ ১: শহর থেকে রওনা

    সকালে মাদারীপুর শহর থেকে সিএনজি বা অটোরিকশায় যান।

  2. ধাপ ২: বাজারে হাঁটা

    পুরোনো বাজারের ভেতর দিয়ে হাঁটুন, গাছে আর ছাদে বানর খুঁজুন।

  3. ধাপ ৩: দোকানে চা

    চায়ের দোকানে থেমে দোকানিদের কাছে তাঁদের এই প্রতিবেশীদের গল্প শুনুন।

  4. ধাপ ৪: শহরে ফেরা

    দুপুরের খাবার আর শকুনী লেকে সন্ধ্যার জন্য মাদারীপুর শহরে ফিরুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি, সকালে

কীভাবে যাবেন

মাদারীপুর শহর থেকে সিএনজি বা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় অল্প পথ; চরমুগুরিয়া বাজার বললেই হবে।

ভ্রমণ টিপস

  • এরা বন্যপ্রাণী: ছোঁবেন না, উত্ত্যক্ত করবেন না, কোণঠাসা করবেন না।
  • খাবার, ব্যাগ আর ফোন বন্ধ ও কাছে রাখুন — বানর ছিনিয়ে নিতে পারে।
  • খাওয়াতে চাইলে কী দেওয়া উচিত স্থানীয়দের কাছে জেনে নিন, হাতে তুলে খাওয়াবেন না।
  • শিশুদের কাছে রাখুন।
  • যে দোকানি ও বাসিন্দারা বানরের সঙ্গে বাজার ভাগাভাগি করেন, তাঁদের প্রতি সম্মান দেখান।

ঘুরে দেখুন