ঠাকুরগাঁও, রংপুর

ঠাকুরগাঁও

ভারত সীমান্তের কাছে টাঙন নদীর তীরে শান্ত কৃষিপ্রধান জেলা, পরিচিত সূর্যপুরী আম, হরিণমারীর শতবর্ষী আমগাছ আর সংস্কার করা বালিয়া মসজিদের জন্য।

স্থানীয় খাবার

  • সূর্যপুরী আম

    ঠাকুরগাঁও

    ঠাকুরগাঁওজুড়ে চাষ হওয়া ছোট, মিষ্টি, সুগন্ধি আম, মৌসুম মোটামুটি জুন–জুলাই।

  • শিদল ভর্তা

    ঠাকুরগাঁও

    উত্তরাঞ্চলের গাঁজানো মাছের ভর্তা, মরিচ দিয়ে মেখে ভাতের সঙ্গে।

  • শীতের পিঠা

    ঠাকুরগাঁও

    শীতের সকাল-সন্ধ্যায় রাস্তার পাশের দোকানে ভাপা আর চিতই পিঠা।

কোথায় খাবেন

  • ঠাকুরগাঁও শহরের কেন্দ্র

    ঠাকুরগাঁও শহর

    কেন্দ্রীয় মোড় আর বাজারের আশপাশে ভাতের হোটেল, মিষ্টির দোকান আর চায়ের দোকান।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • ঠাকুরগাঁও শহর

    ঠাকুরগাঁও সদর

    শহরের কেন্দ্রে কয়েকটি সাধারণ হোটেল; বালিয়াডাঙ্গী ও ভুল্লী ঘোরার ঘাঁটি।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • পঞ্চগড় বা দিনাজপুরের সঙ্গে মিলিয়ে

    উত্তর-পশ্চিম বাংলাদেশ

    অনেকে তেঁতুলিয়া যাওয়ার পথে ঠাকুরগাঁও ঘুরে পঞ্চগড় বা দিনাজপুরে রাত কাটান।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

সংস্কৃতি

ঠাকুরগাঁওয়ে উত্তরাঞ্চলের লোকসংস্কৃতি: ভাওয়াইয়া গান, ফসল তোলার পর গ্রামের মেলা আর এ অঞ্চলের রংপুরি ধাঁচের ভাষা।

  • সাঁওতাল ও ওরাওঁ গ্রামগুলোতে নিজস্ব উৎসব, গান আর নাচ।
  • গ্রীষ্মের শুরুতে সূর্যপুরী আমের মৌসুম জেলার পরিচয়।

ইতিহাস

ঠাকুরগাঁও দীর্ঘদিন দিনাজপুরের একটি মহকুমা ছিল, ১৯৮৪ সালে আলাদা জেলা হয়। শহর গড়ে উঠেছে টাঙন নদীর তীরে, আর চারপাশের সমতল উর্বর জমিতে ধান, গম, আখ আর আমবাগান, পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তের কাছেই।

প্রতিবেশী জেলাগুলোর মতো ঠাকুরগাঁও ছিল চল্লিশের দশকের তেভাগা আন্দোলনের শক্ত ঘাঁটি। জেলার জমিদার পরিবারগুলো গ্রামে গ্রামে রেখে গেছে মসজিদ, মন্দির আর বাড়ি, আর বাঙালিদের পাশাপাশি এখানে বাস সাঁওতাল, ওরাওঁসহ নানা জনগোষ্ঠীর।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

শীতল, পরিষ্কার দিনের জন্য অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি; সূর্যপুরী আমের জন্য জুন–জুলাই

কীভাবে যাবেন

  • বাসে: ঢাকা থেকে যমুনা সেতু হয়ে কোচে প্রায় ৯–১০ ঘণ্টা, বেশির ভাগই রাতের বাস।
  • ট্রেনে: পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর ট্রেন শহরের কাছে ঠাকুরগাঁও রোড স্টেশনে থামে।
  • আকাশপথে: সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর সৈয়দপুর, সড়কপথে প্রায় ২ ঘণ্টা।
  • দিনাজপুর থেকে বাসে মোটামুটি দেড় থেকে ২ ঘণ্টা।

শহরে চলাচল

  • শহরে রিকশা আর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।
  • বালিয়াডাঙ্গী, ভুল্লী আর গ্রামগুলোর জন্য লোকাল বাস, অথবা সারা দিনের জন্য সিএনজি বা গাড়ি ভাড়া নিন।
  • পঞ্চগড় ও দিনাজপুরের সঙ্গে ঘন ঘন বাস চলে।

ঘুরে দেখুন