উনিশ শতকে ইউরোপীয় নীলকরেরা নদীয়াজুড়ে নীলের কারবার চালাত, কঠোর শর্তে কৃষকদের নীলচাষে বাধ্য করত। এর বিরুদ্ধে যে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে, ১৮৫৯–৬০ সালের সেই নীল বিদ্রোহ বাংলার ইতিহাসে এক মাইলফলক। আমঝুপিতে কাজলা নদীর তীরে নীলকরেরা গড়ে তোলে একটি বড় কুঠি—বাসভবন ও দপ্তর।
উঁচু ঘর আর বারান্দাওয়ালা ভবনটি বড় বড় গাছের ছায়াঘেরা প্রাঙ্গণে আজও টিকে আছে। স্থানীয় জনশ্রুতি আমঝুপিকে ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধের আগের ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও জোড়ে, যদিও এটি প্রতিষ্ঠিত ইতিহাস নয়, কিংবদন্তি।
আজ নীলকুঠি হাঁটার জন্য নিরিবিলি, আবহময় এক জায়গা, আর অঞ্চলের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের স্মারক।