ঢাকা

আর্মেনীয় গির্জা

১৭৮১ সালে ঢাকার আর্মেনীয় বণিকদের তৈরি গির্জা।

স্থানীয় খাবার

  • কাচ্চি বিরিয়ানি

    আর্মেনীয় গির্জা

    পুরান ঢাকার ধীরে রান্না মাংস আর চাল, সঙ্গে বোরহানি।

  • বাকরখানি

    আর্মেনীয় গির্জা

    পুরোনো শহরের মাটির তন্দুরের মচমচে স্তরের রুটি।

কোথায় খাবেন

  • নাজিরা বাজার ও বংশাল

    পুরান ঢাকা

    রিকশায় অল্প দূরে: হাজী বিরিয়ানি (১৯৩৯ সাল থেকে) আর অন্যান্য বিরিয়ানির দোকান, কাবাব ও মিষ্টি।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • মতিঝিল ও পল্টন

    মধ্য ঢাকা

    পুরান ঢাকার সবচেয়ে কাছের কম খরচের হোটেল।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • ধানমন্ডি

    মধ্য ঢাকা

    মাঝারি মানের হোটেল আর রেস্তোরাঁ, পুরান ঢাকা থেকে অল্প দূরে।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

পবিত্র পুনরুত্থান আর্মেনীয় গির্জা ১৭৮১ সালে ঢাকার আর্মেনীয় সম্প্রদায় তৈরি করে। তাঁরা ছিলেন পাট, কাপড়, লবণসহ নানা পণ্যের ব্যবসায়ী, আর একসময় এতটাই প্রভাবশালী ছিলেন যে তাঁদের নামেই এলাকার নাম হয় আরমানিটোলা — “আর্মেনীয়দের পাড়া”।

গির্জাটি তৈরি হয় একটি পুরোনো আর্মেনীয় কবরস্থানের জায়গায়, আর প্রাচীরঘেরা চত্বর আজও সমাধিফলকে ভরা; অনেকগুলোতে আর্মেনীয় হরফ খোদাই করা, আঠারো ও উনিশ শতকের। গির্জার পাশে একসময় একটি ঘণ্টাঘর ছিল, যা ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরে ভেঙে ফেলা হয়।

বিশ শতকে সম্প্রদায়টি ক্রমে ছোট হয়ে এলে অল্প কয়েকজন তত্ত্বাবধায়ক গির্জাটি টিকিয়ে রাখেন। চুনকাম করা নিরিবিলি ভবন, লম্বা উপাসনা কক্ষ, খিলানের জানালা আর ছোট গ্যালারি — পুরান ঢাকায় একসময় বাস করা নানা বিদেশি সম্প্রদায়ের হাতে গোনা স্মৃতিচিহ্নগুলোর একটি।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

আরমানিটোলা ও নদী

আধা দিন
  1. ধাপ ১: আর্মেনীয় গির্জা

    সকালে শুরু করুন: গির্জা দেখুন আর চত্বরের পুরোনো সমাধিফলকগুলো পড়ুন।

  2. ধাপ ২: তারা মসজিদ

    কয়েক মিনিট হেঁটে চীনামাটির তারায় সাজানো মসজিদে যান।

  3. ধাপ ৩: আহসান মঞ্জিল ও সদরঘাট

    বুড়িগঙ্গার দিকে গিয়ে নবাবদের প্রাসাদ আর ব্যস্ত নদীবন্দর দেখুন।

  4. ধাপ ৪: দুপুরে বিরিয়ানি

    নাজিরা বাজারে কাচ্চি বিরিয়ানি দিয়ে শেষ করুন।

মানচিত্র

গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)বড় মানচিত্র দেখুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে মার্চ, সকালে বা দুপুরের শুরুতে — তখন তত্ত্বাবধায়ককে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কীভাবে যাবেন

পুরান ঢাকার আরমানিটোলায়, তারা মসজিদ থেকে কয়েক মিনিটের হাঁটা পথ।

ভ্রমণ টিপস

  • গির্জাটি টিকিটের জাদুঘর নয়: ফটক বন্ধ থাকতে পারে, ভেতরে যেতে তত্ত্বাবধায়ককে ডাকতে বা অনুরোধ করতে হতে পারে।
  • যাওয়ার আগে খোলার দিন জেনে নিন, অথবা পুরান ঢাকার বড় ভ্রমণের অংশ হিসেবে যান, যাতে ফটক বন্ধ পেলেও আফসোস না থাকে।
  • কবরস্থানে সম্মান বজায় রাখুন: সমাধিফলকের ওপর বসবেন বা দাঁড়াবেন না।
  • শালীন পোশাক পরুন আর গির্জার ভেতরে নিচু স্বরে কথা বলুন।
  • তারা মসজিদ কয়েক মিনিটের হাঁটা পথ — দুটো একসঙ্গে দেখুন।

ঘুরে দেখুন