ঠাকুরগাঁও, রংপুর

বালিয়া মসজিদ

ভুল্লীর কাছে জমিদার আমলের তিন গম্বুজের মসজিদ, শতাব্দীরও বেশি সময় গম্বুজ ছাড়া পড়ে ছিল, সম্পূর্ণ হয়েছে সাম্প্রতিক কালে — স্থানীয়ভাবে যাকে বলে ‘জিনের মসজিদ’।

স্থানীয় খাবার

  • সূর্যপুরী আম

    বালিয়া মসজিদ

    জুন–জুলাইয়ে ভুল্লীর আশপাশের বাগান আর বাজারে তাজা আম মেলে।

  • বাজারের চা

    বালিয়া মসজিদ

    ভুল্লী বাজারে চা আর হালকা খাবার।

কোথায় খাবেন

  • ঠাকুরগাঁও শহর

    ঠাকুরগাঁও সদর

    পুরো খাবার শহরে খান; মসজিদের কাছে তেমন ব্যবস্থা নেই।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

ইতিহাস

বালিয়া মসজিদের নির্মাণ শুরু হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে, স্থানীয় এক জমিদার পরিবারের উদ্যোগে। চুন-সুরকি আর ইটে সূক্ষ্ম কারুকাজে নামাজঘর আর দেয়াল তৈরি হলেও গম্বুজের কাজ আর শেষ হয়নি; শত বছরেরও বেশি সময় মসজিদটি গাছপালার মধ্যে ছাদহীন দাঁড়িয়ে ছিল।

কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় গ্রামের মানুষ গল্প বলতেন, জিনেরা এক রাতে এটি বানিয়েছে — সেখান থেকেই ‘জিনের মসজিদ’ নাম। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মসজিদটি সংস্কার করে অবশেষে তিনটি গম্বুজ যোগ করা হয়েছে, এখন আবার নামাজ হয়। এটি এখন ঠাকুরগাঁওয়ের সবচেয়ে পরিচিত দর্শনীয় স্থানগুলোর একটি।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

বালিয়া মসজিদ, আধা দিনে

আধা দিন
  1. ধাপ ১: শহর থেকে রওনা

    পঞ্চগড় সড়ক ধরে ভুল্লীর দিকে সিএনজি বা অটোরিকশা ভাড়া নিন।

  2. ধাপ ২: মসজিদ

    নামাজের সময় বাদে পুরোনো ইটের কাজ আর নতুন গম্বুজ দেখুন।

  3. ধাপ ৩: গ্রামে হাঁটা

    আশপাশের খেত আর বাগানের মধ্যে একটু হাঁটুন।

  4. ধাপ ৪: ঠাকুরগাঁওয়ে ফেরা

    দুপুরের খাবারের জন্য শহরে ফিরুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি, নামাজের সময় বাদে

কীভাবে যাবেন

ঠাকুরগাঁও শহরের উত্তর-পূর্বে, পঞ্চগড় সড়কের পাশে ভুল্লীর কাছে বালিয়া ইউনিয়নে; সিএনজি বা অটোরিকশায় এক ঘণ্টার কম; গ্রামের পথ স্থানীয়দের কাছে জেনে নিন।

ভ্রমণ টিপস

  • এটি চালু মসজিদ: নামাজের সময় বাদে যান, ঢোকার আগে জুতা খুলুন।
  • শালীন পোশাক পরুন; নারীরা মাথা ঢেকে নিন।
  • মুসল্লিদের ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন।
  • পথ গ্রামীণ: ফেরার গাড়ি খোঁজার ওপর ভরসা না করে যাওয়া-আসার জন্য গাড়ি ভাড়া নিন।

ঘুরে দেখুন