চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের শান্ত, পরিচ্ছন্ন সমাধিক্ষেত্র।

স্থানীয় খাবার

  • মেজবানি মাংস

    চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি

    কয়েক মিনিটের দূরত্বে জিইসি ও চকবাজারের রেস্তোরাঁগুলোতে পাবেন।

  • চায়ের সঙ্গে বেলা বিস্কুট

    চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি

    চট্টগ্রামের পুরোনো বিস্কুট, এলাকার যেকোনো চায়ের দোকানে।

কোথায় খাবেন

  • জিইসি মোড় ও চকবাজার

    চট্টগ্রাম শহর

    কাছেই সব ধরনের রেস্তোরাঁ, ভাত-তরকারির দোকান থেকে ক্যাফে পর্যন্ত।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • জিইসি ও নাসিরাবাদ

    চট্টগ্রাম শহর

    সমাধিক্ষেত্রটি শহরেই; কেন্দ্রের যেকোনো হোটেল থেকে অল্প পথ।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

সংস্কৃতি

এই সমাধিক্ষেত্র স্মরণের জায়গা। বিদেশ থেকে নিহতদের পরিবার ও প্রবীণ সৈনিকদের দল এখনো আসে, আর নভেম্বরে রিমেমব্রেন্স সানডেতে সাধারণত এখানে অনুষ্ঠান হয়, ক্রস অব স্যাক্রিফাইসে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সমাধিফলকগুলো কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের অভিন্ন নকশায় তৈরি, যাতে পদমর্যাদা যা-ই হোক, প্রত্যেককে সমানভাবে স্মরণ করা হয়; ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের সৈনিকদের সমাধি সেই অনুযায়ী চিহ্নিত।

ইতিহাস

চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি বাংলাদেশের দুটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধিক্ষেত্রের একটি (অন্যটি কুমিল্লার ময়নামতিতে)। এখানে সমাহিত আছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিক, নাবিক ও বৈমানিকেরা, যাঁদের অনেকে মারা যান বার্মা অভিযানে, যখন জাপানি অগ্রযাত্রার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ছিল সম্মুখসমরের কাছের একটি ঘাঁটি।

এখানে শায়িতরা এসেছিলেন ব্রিটেন, অবিভক্ত ভারত, পূর্ব ও পশ্চিম আফ্রিকাসহ নানা দেশ থেকে — সেই যুদ্ধ কত দূর বিস্তৃত ছিল, তারই স্মারক। হালকা ঢালু সবুজ চত্বরে একই রকম সমাধিফলকের পরিপাটি সারি, প্রতিটিতে নাম, রেজিমেন্ট আর প্রায়ই পরিবারের বেছে নেওয়া কয়েকটি কথা।

কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন সমাধিক্ষেত্রটির দেখভাল করে, আর এটি রাখা হয় নিখুঁতভাবে: ছাঁটা ঘাস, ফুলের গাছ আর গভীর নীরবতা, ব্যস্ত শহরের রাস্তার ঠিক পাশেই। অল্প সময়ের কিন্তু হৃদয় ছোঁয়া ভ্রমণ, চট্টগ্রামের সবচেয়ে শান্ত জায়গাগুলোর একটি।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

শহরের দুই শান্ত জায়গা

আধা দিন
  1. ধাপ ১: ওয়ার সিমেট্রি

    সকালের আলোয় শুরু করুন। সারি ধরে হাঁটুন, কয়েকটি সমাধিলিপি পড়ে দেখুন।

  2. ধাপ ২: জিইসির কাছে চা

    কাছের কোনো দোকানে চা আর বেলা বিস্কুটের জন্য থামুন।

  3. ধাপ ৩: বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার

    উত্তরে পাহাড়ের ওপরের মাজারে যান, দেখুন পুকুরের দুর্লভ কচ্ছপ।

  4. ধাপ ৪: নাসিরাবাদ বা জিইসিতে দুপুরের খাবার

    মেজবানি মাংস বা কালা ভুনা দিয়ে চট্টগ্রামের দুপুরের খাবারে শেষ করুন।

মানচিত্র

গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)বড় মানচিত্র দেখুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

বছরের যেকোনো সময়; সকাল ও বিকেলের শেষে আবহাওয়া ঠান্ডা, আলোও নরম। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি সবচেয়ে আরামদায়ক।

কীভাবে যাবেন

শহরের বাদশা মিয়া সড়কের পাশে; জিইসি বা চকবাজার থেকে অল্প পথ, সিএনজি বা রিকশায়।

ভ্রমণ টিপস

  • এটি সমাধিক্ষেত্র: নিচু স্বরে কথা বলুন, সমাধির ওপর দিয়ে নয়, পথ ধরে হাঁটুন।
  • শালীন পোশাক পরুন, ছবি তোলার জন্য সমাধিফলক বা স্মৃতিস্তম্ভে উঠবেন না।
  • দর্শনের সময় গেটে বা স্থানীয়ভাবে জেনে নিন; তা বদলাতে পারে।
  • একই আধা দিনে জিইসি, চকবাজার বা বায়েজিদ বোস্তামীর সঙ্গে মিলিয়ে ঘুরুন।

ঘুরে দেখুন