ঢাকা

কার্জন হল

১৯০৫ সালের লাল ইটের ভবন, ইউরোপীয় ও মোগল স্থাপত্যের মিশেল।

স্থানীয় খাবার

  • ফুচকা ও চটপটি

    কার্জন হল

    শহরের প্রিয় পথখাবার, টিএসসি আর ক্যাম্পাসের আশপাশে পাওয়া যায়।

  • দুধ চা

    কার্জন হল

    সন্ধ্যায় ছাত্রছাত্রীদের আড্ডার দোকানের কড়া মিষ্টি চা।

  • কাচ্চি বিরিয়ানি

    কার্জন হল

    পুরান ঢাকার পরিচিত খাবার, ক্যাম্পাস থেকে অল্প দূরে দক্ষিণে।

কোথায় খাবেন

  • টিএসসি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    চায়ের দোকান আর পথখাবার — ফুচকা, চটপটি, ঝালমুড়ি — ছাত্রছাত্রীদের আড্ডার জায়গা।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • নাজিরা বাজার ও বংশাল

    পুরান ঢাকা

    অল্প দূরে দক্ষিণে পুরান ঢাকার বিরিয়ানির দোকান, হাজী বিরিয়ানিসহ (১৯৩৯ সাল থেকে)।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • মতিঝিল ও পল্টন

    মধ্য ঢাকা

    মেট্রো লাইনের পাশে কম খরচের হোটেল, ক্যাম্পাস আর পুরান ঢাকার কাছে।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • ধানমন্ডি

    মধ্য ঢাকা

    অল্প দূরে পশ্চিমে মাঝারি মানের হোটেল আর রেস্তোরাঁ।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

সংস্কৃতি

কার্জন হল ঢাকার ছাত্রজীবনের কেন্দ্রে। ২১ ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে হাজারো মানুষ এর পাশ দিয়ে হেঁটে কাছের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিতে যান, আর ক্যাম্পাস ভরে ওঠে গানে আর রাস্তায় আঁকা আলপনায়।

ইতিহাস

কার্জন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাল ইটের পরিচিত ভবন। নামকরণ করা হয় ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জনের নামে, যিনি ১৯০৪ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন — প্রায় সেই সময়েই বঙ্গভঙ্গ হয় এবং ঢাকা নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী হয়। ভবনটি পরিকল্পনা করা হয়েছিল টাউন হল হিসেবে।

নকশায় ইউরোপীয় আর মোগল রীতির মিশেল: অশ্বক্ষুরাকৃতি ও খাঁজকাটা খিলান, ছাদের কিনারে ছোট গম্বুজ আর ছত্রী, গভীর বারান্দা — সবই লাল ইটে, হালকা রঙের কারুকাজে। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে ভবনটি এর অংশ হয়, আর তখন থেকে এখানে বিজ্ঞান অনুষদ।

দেশের ইতিহাসেও কার্জন হলের জায়গা আছে। ১৯৪৮ সালে এক বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা বলে ঘোষণা দিলে এখানে ছাত্ররা প্রতিবাদ করেন — ভাষা আন্দোলনের প্রথম দিকের স্ফুলিঙ্গগুলোর একটি।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হাঁটা

আধা দিন
  1. ধাপ ১: কার্জন হল

    ভবন আর লনের চারপাশে হেঁটে সব দিক থেকে খিলান আর গম্বুজ দেখুন।

  2. ধাপ ২: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

    কয়েক মিনিটের পথে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত মিনার।

  3. ধাপ ৩: দোয়েল চত্বর

    জাতীয় পাখি দোয়েলের ভাস্কর্যসহ চত্বর, ক্যাম্পাসের পুরোনো ভবনগুলোর পাশে।

  4. ধাপ ৪: টিএসসিতে চা

    ছাত্রছাত্রীদের ভিড়ে চা আর ফুচকা দিয়ে বিকেল শেষ করুন।

মানচিত্র

গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)বড় মানচিত্র দেখুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে মার্চ, পড়ন্ত বিকেলে — তখন রোদে লাল ইট আরও উজ্জ্বল দেখায়।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। কাছের মেট্রো স্টেশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ভ্রমণ টিপস

  • কার্জন হল চালু বিশ্ববিদ্যালয় ভবন: চত্বর থেকে উপভোগ করুন, ক্লাস বা পরীক্ষায় বিঘ্ন ঘটাবেন না।
  • লনে সাধারণত দর্শনার্থীরা যেতে পারেন, তবে কখনো কখনো প্রবেশ সীমিত থাকে — নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশ মানুন।
  • ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সমাবেশ বা মিছিল এড়িয়ে চলুন।
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো স্টেশন অল্প হাঁটার দূরত্বে।
  • কাছের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার আর দোয়েল চত্বরও একসঙ্গে ঘুরে নিন।

ঘুরে দেখুন