দিনাজপুর, রংপুর

দিনাজপুর রাজবাড়ি

কান্তজিউ আর রামসাগরের নির্মাতা দিনাজপুরের রাজাদের জীর্ণ প্রাসাদ, শহরের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে।

স্থানীয় খাবার

  • কাটারিভোগের পোলাও

    দিনাজপুর রাজবাড়ি

    শহরের রেস্তোরাঁয় সুগন্ধি চালের পোলাও।

  • মিষ্টি

    দিনাজপুর রাজবাড়ি

    শহরের মিষ্টির দোকানের রসগোল্লা, চমচম আর দই।

কোথায় খাবেন

  • দিনাজপুর শহরের কেন্দ্র

    দিনাজপুর সদর

    রাজবাড়ি থেকে কয়েক মিনিটের পথ।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • দিনাজপুর শহর

    দিনাজপুর সদর

    কেন্দ্রের যেকোনো হোটেল থেকে রাজবাড়ি কাছেই।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

বহু শতাব্দী ধরে দিনাজপুর রাজ ছিল বাংলার সবচেয়ে বড় জমিদারিগুলোর একটি, আর রাজারা শাসন চালাতেন এই প্রাসাদ চত্বর থেকে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা ও সংস্কার হওয়া এ চত্বরে একসময় ছিল পরিবারের মহল, মন্দির, পুকুর আর বাগান, সবই বাইরের প্রাচীরে ঘেরা।

১৮৯৭ সালের বড় ভূমিকম্পে ভবনগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর জমিদারি উঠে যাওয়ার পর আরও ভেঙে পড়ে। পুরোনো প্রাসাদের কিছু অংশ, তোরণ আর মন্দির চত্বর এখনো দাঁড়িয়ে আছে, ভেতরের মন্দিরে এখনো পূজা হয়। কান্তজিউ আর রামসাগর যাঁরা গড়েছেন, তাঁদের বুঝতে এ বিষণ্ণ অথচ মনকাড়া জায়গাটি দেখার মতো।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

রাজবাড়ি ও রামসাগর

আধা দিন
  1. ধাপ ১: রাজবাড়ি

    সকালে তোরণ আর মন্দির চত্বর ঘুরে দেখুন।

  2. ধাপ ২: শহর পেরিয়ে

    অটোরিকশায় শহরের কেন্দ্র পেরিয়ে দক্ষিণে রামসাগর যান।

  3. ধাপ ৩: রামসাগর

    একই রাজপরিবারের খনন করা বিশাল দিঘির পাড় ধরে হাঁটুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি, দিনের আলোয়

কীভাবে যাবেন

দিনাজপুর শহরের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে; কেন্দ্র থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় অল্প পথ।

ভ্রমণ টিপস

  • ভবনগুলো পুরোনো ও ভঙ্গুর: দেয়ালে চড়বেন না, ঝুঁকিপূর্ণ কাঠামোর ভেতরে ঢুকবেন না।
  • চত্বরের কিছু অংশে পূজা হয়; সম্মান দেখান, শালীন পোশাক পরুন।
  • দিনের আলোয়, সম্ভব হলে সঙ্গী নিয়ে যান; প্রধান ভবনগুলো চিনিয়ে দিতে স্থানীয়দের সাহায্য নিন।
  • একই দিনে রামসাগর বা শহর ঘোরার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

ঘুরে দেখুন