চাঁদপুর, চট্টগ্রাম

হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ

হাজীগঞ্জের ব্যস্ত বাজার-শহরে অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ও পরিচিত মসজিদগুলোর একটি, সমৃদ্ধ কারুকাজে সাজানো।

স্থানীয় খাবার

  • ইলিশ

    হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ

    শহরের ভাতের হোটেলে ভাজা বা সরষে বাটায়।

  • মিষ্টি

    হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ

    বাজারের দোকানে রসগোল্লাসহ নানা মিষ্টি।

কোথায় খাবেন

  • হাজীগঞ্জ বাজার

    হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

    ব্যস্ত বাজারের আশপাশে ভাতের হোটেল আর মিষ্টির দোকান।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • চাঁদপুর শহরের কেন্দ্র

    চাঁদপুর শহর

    বেশির ভাগ পর্যটক চাঁদপুরে থাকেন বা কুমিল্লার দিকে চলে যান।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ বিংশ শতকের গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠা করেন স্থানীয় ভূস্বামী ও ব্যবসায়ী হাজী আহমদ আলী পাটওয়ারী, পরের দশকগুলোতে এর সম্প্রসারণ হয়। দেশের এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মসজিদগুলোর একটি এটি।

টালি আর পলেস্তারার নকশায় সাজানো ভেতরের অংশ আর দূর থেকে দেখা যায় এমন উঁচু মিনারের জন্য মসজিদটি পরিচিত।

জুমা আর ঈদে এখানে বিপুল মুসল্লির সমাগম হয়, আর চাঁদপুর–কুমিল্লা যাওয়া-আসার পথে অনেকে মসজিদটি দেখে যান।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

পথে হাজীগঞ্জ

আধা দিন
  1. ধাপ ১: চাঁদপুর থেকে রওনা

    সকালে চাঁদপুর–কুমিল্লা সড়ক ধরে বাস বা সিএনজি নিন।

  2. ধাপ ২: হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ

    নামাজের সময়ের বাইরে কারুকাজ করা ভেতরের অংশ আর মিনার দেখুন।

  3. ধাপ ৩: বাজারে দুপুরের খাবার

    বাজারের রেস্তোরাঁয় ভাত আর মাছ।

  4. ধাপ ৪: কুমিল্লার পথে বা ফিরতি পথে

    ময়নামতি দেখতে কুমিল্লার দিকে যান, অথবা সূর্যাস্তে মোলহেড দেখতে চাঁদপুরে ফিরুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

সারা বছর, নামাজের সময়ের বাইরে; অক্টোবর থেকে মার্চ সবচেয়ে আরামদায়ক

কীভাবে যাবেন

চাঁদপুর–কুমিল্লা সড়কের হাজীগঞ্জ শহরে, চাঁদপুর শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে মোটামুটি এক ঘণ্টা।

ভ্রমণ টিপস

  • এটি নিয়মিত নামাজের মসজিদ: শালীন পোশাক পরুন এবং নামাজের সময়, বিশেষ করে জুমার দুপুর, এড়িয়ে চলুন।
  • নারীরা মাথা ঢেকে রাখুন এবং কোথায় প্রবেশ করা যাবে জিজ্ঞেস করে নিন।
  • নামাজঘরে ঢোকার আগে জুতা খুলুন।
  • মুসল্লিদের ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন।
  • চাঁদপুর–কুমিল্লা যাত্রার সঙ্গে মিলিয়ে ঘুরুন।

ঘুরে দেখুন