সুনামগঞ্জ, সিলেট

হাছন রাজা জাদুঘর

সুনামগঞ্জ শহরে মরমি কবি হাছন রাজার পারিবারিক বাড়ি, যেখানে তাঁর জীবন, ব্যবহৃত জিনিস আর গান নিয়ে জাদুঘর।

স্থানীয় খাবার

  • হাওরের মাছের তরকারি

    হাছন রাজা জাদুঘর

    শহরের দেশি রেস্তোরাঁয় ভাতের সঙ্গে তাজা মাছ।

  • শুঁটকি ভর্তা

    হাছন রাজা জাদুঘর

    মরিচ দিয়ে মাখা শুঁটকি, হাওরের নিত্যদিনের খাবার।

কোথায় খাবেন

  • সুনামগঞ্জ শহরের কেন্দ্র

    সুনামগঞ্জ শহর

    জাদুঘর থেকে অল্প দূরে দেশি রেস্তোরাঁ।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

সংস্কৃতি

হাছন রাজার গান সুনামগঞ্জের জীবন্ত লোকঐতিহ্যের অংশ; বাউল আর গ্রামের শিল্পীরা শাহ আবদুল করিম ও রাধারমণ দত্তের গানের পাশাপাশি তাঁর গানও গান। সুযোগ পেলে কোনো স্থানীয় শিল্পীর কণ্ঠে শুনে নিন।

ইতিহাস

হাছন রাজা (১৮৫৪–১৯২২) সুনামগঞ্জের এক ধনী জমিদার পরিবারে জন্মান। যৌবনে বিলাসী জীবনের জন্য পরিচিত হলেও পরে তিনি মরমিবাদের দিকে ফেরেন এবং জীবনের নশ্বরতা, দেহতত্ত্ব আর স্রষ্টার প্রতি প্রেম নিয়ে শত শত গান লেখেন। অঞ্চলের সহজ ভাষায় লেখা সেই গান লিখে রাখার অনেক আগেই মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে, আজও সারা দেশে প্রিয়।

সুরমার কাছে তেঘরিয়ায় তাঁর পারিবারিক বাড়ি জাদুঘর হিসেবে রাখা হয়েছে। ভেতরে তাঁর ব্যবহৃত জিনিসপত্র, পোশাক, পাণ্ডুলিপি আর ছবি; ঘরগুলো দেখে সেকালের জমিদারবাড়ির একটা ধারণা পাওয়া যায়। তাঁর উত্তরসূরিরা তাঁর স্মৃতি ধরে রাখায় বড় ভূমিকা রেখেছেন।

ঘুরে দেখতে অল্প সময় লাগে, তবে হাওরের নৌকায় বা গ্রামের আসরে যে গান শোনেন, তার প্রেক্ষাপট বুঝতে এটি সাহায্য করে।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

এক সকালে সুনামগঞ্জ শহর

আধা দিন
  1. ধাপ ১: সকাল — হাছন রাজা জাদুঘর

    রিকশায় তেঘরিয়া গিয়ে জাদুঘরে এক ঘণ্টা কাটান।

  2. ধাপ ২: বেলা বাড়লে — সুরমার তীর

    সুরমার তীর ধরে হাঁটুন, হাওর থেকে আসা নৌকা দেখুন।

  3. ধাপ ৩: দুপুর — শহরে খাওয়া

    দেশি রেস্তোরাঁয় হাওরের মাছ-ভাত।

  4. ধাপ ৪: বিকেল — তাহিরপুরের পথে

    টাঙ্গুয়ার হাওরে রাত কাটাতে তাহিরপুরের পথে, অথবা সিলেটে ফেরা।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

সারা বছর; সুনামগঞ্জ থেকে হাওর ভ্রমণের সঙ্গে মিলিয়ে নিন

কীভাবে যাবেন

সুনামগঞ্জ শহরে, সুরমার কাছে তেঘরিয়া এলাকায়; শহরের কেন্দ্র থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় অল্প পথ।

ভ্রমণ টিপস

  • খোলার দিন ও সময় বদলাতে পারে; যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।
  • এটি জাদুঘরের পাশাপাশি পারিবারিক বাড়িও: শালীন পোশাক পরুন, সম্মান বজায় রাখুন।
  • প্রদর্শনীর ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন।
  • প্রায় এক ঘণ্টা সময় রাখুন; তাহিরপুর যাওয়া-আসার পথে ঘুরে নিন।

ঘুরে দেখুন