ঢাকা

হাতিরঝিল

শহরের মাঝখানে লেক, হাঁটার পথ, সেতু আর ওয়াটার ট্যাক্সি।

স্থানীয় খাবার

  • ফুচকা ও চটপটি

    হাতিরঝিল

    ঢাকার প্রিয় সন্ধ্যার নাশতা, লেকের আশপাশের দোকানে পাওয়া যায়।

  • ঝালমুড়ি

    হাতিরঝিল

    সরিষার তেল, পেঁয়াজ আর মরিচে মাখা ঝাল মুড়ি — লেকের পাড়ে হাঁটার সঙ্গী।

  • দুধ চা

    হাতিরঝিল

    লেকের কাছের দোকানের কড়া মিষ্টি চা।

কোথায় খাবেন

  • গুলশান

    উত্তর ঢাকা

    লেকের উত্তর প্রান্ত থেকে অল্প দূরে সব ধরনের রেস্তোরাঁ ও ক্যাফে।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • লেকের পাশের খাবারের দোকান

    হাতিরঝিল

    লেকের পাশে ফুচকা, চা আর হালকা খাবারের ছোট দোকান।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • গুলশান ও বনানী

    উত্তর ঢাকা

    লেকের উত্তর প্রান্তের কাছে আন্তর্জাতিক ও উঁচু মানের হোটেল।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • ধানমন্ডি ও পান্থপথ

    মধ্য ঢাকা

    লেকের কারওয়ান বাজার প্রান্ত থেকে অল্প দূরে মাঝারি মানের হোটেল।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

হাতিরঝিল ঢাকার মাঝখানে তেজগাঁও, গুলশান, বাড্ডা আর রামপুরার মাঝে বিস্তৃত আঁকাবাঁকা লেক। নামের অর্থ “হাতির ঝিল”, আর প্রচলিত আছে, একসময় এখানকার পানিতে হাতিদের গোসল করাতে আনা হতো।

বহু বছর এলাকাটি ছিল দখলে ঘেরা অবহেলিত জলাভূমি আর পানি নিষ্কাশনের খাল। একটি বড় উন্নয়ন প্রকল্পে সড়ক, সেতু আর হাঁটার পথসহ এটিকে জনসাধারণের লেকে রূপ দেওয়া হয়, যা ২০১৩ সালে চালু হয়। বর্ষায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখা আর নিষ্কাশনেও এটি সাহায্য করে।

লেকটি এখন শহরের প্রিয় হাঁটা আর বিশ্রামের জায়গা, বিশেষ করে সন্ধ্যায় — যখন বাঁকানো সেতুগুলোতে আলো জ্বলে আর পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও দৌড়বিদে পথ ভরে যায়। ছোট ওয়াটার বাস লেক পার হয় আর লেক ধরে চলে, আর পাড়ে আছে খোলা আকাশের অ্যাম্ফিথিয়েটার।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

হাতিরঝিলে এক সন্ধ্যা

২–৩ ঘণ্টা
  1. ধাপ ১: বিকেলের হাঁটা

    সূর্যাস্তের ঘণ্টাখানেক আগে শুরু করুন, লেকের পাশের পথের একটা অংশ হাঁটুন।

  2. ধাপ ২: ওয়াটার বাসে চড়া

    ওয়াটার বাসে লেক পার হন বা লেক ধরে চলুন, পানি থেকে সেতুগুলো দেখুন।

  3. ধাপ ৩: সেতুর আলো

    অন্ধকার নামা পর্যন্ত থাকুন, যখন বাঁকানো সেতুগুলোতে আলো জ্বলে।

  4. ধাপ ৪: নাশতা বা রাতের খাবার

    লেকের পাড়ে ফুচকা আর চা, অথবা গুলশানে রাতের খাবার।

মানচিত্র

গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)বড় মানচিত্র দেখুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে মার্চ; নিরিবিলি হাঁটার জন্য ভোরে, অথবা সূর্যাস্তের পর, যখন সেতুগুলোতে আলো জ্বলে।

কীভাবে যাবেন

গুলশান, বনানী ও তেজগাঁওয়ের মাঝে। লেকের পাশের পথে হাঁটুন বা সাইকেল চালান; ছোট ওয়াটার বাসে লেক পার হওয়া যায়।

শহরে চলাচল

  • লেকের পাশের পথ আর সেতুতে হাঁটুন — লেক দেখার সবচেয়ে ভালো উপায়।
  • ওয়াটার বাস লেক পার হয় আর লেক ধরে চলে, গুলশান, রামপুরা আর কারওয়ান বাজারের দিকের মতো জায়গাগুলোকে যুক্ত করে; পানি থেকে লেক দেখার আরামদায়ক উপায়।
  • ভোরে পথে সাইকেল চালানো জনপ্রিয়।
  • লেকের পাশের সড়কে গাড়ির চাপ বেশি; রিকশা বা সিএনজি শুধু লেক পর্যন্ত পৌঁছাতে নিন, তারপর হেঁটে ঘুরুন।

ভ্রমণ টিপস

  • সন্ধ্যা আর শুক্রবারে সবচেয়ে ভিড়; নিরিবিলি হাঁটতে চাইলে ভোরে আসুন।
  • ফুটব্রিজ আর পারাপারের জায়গা ব্যবহার করুন — লেকের পাশের সড়কে গাড়ি দ্রুত চলে।
  • লেকে সাঁতার কাটবেন না, আর শিশুদের পানির কিনারা থেকে দূরে রাখুন।
  • সন্ধ্যার ভিড়ে ফোন আর ব্যাগ কাছে রাখুন।
  • গরমের মাসে পানি সঙ্গে রাখুন; কিছু অংশে ছায়া কম।

ঘুরে দেখুন