হযরত শাহজালাল (রহ.) ছিলেন চতুর্দশ শতকের শুরুতে সিলেটে আসা একজন সুফি সাধক। প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী তিনি একদল সঙ্গী নিয়ে আসেন — যাঁরা ৩৬০ আউলিয়া নামে স্মরণীয় — আর ১৩০৩ সালে স্থানীয় রাজা গৌড় গোবিন্দের শাসনের অবসান ঘটে। শাহজালাল (রহ.) এখানেই থেকে যান; বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪০-এর দশকে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা লিখে গেছেন। তাঁর সঙ্গীরা অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়েন, তাই সিলেটে এত মাজার।
শহরের প্রাণকেন্দ্র দরগাহ গেটে তাঁর মাজার সিলেটের সবচেয়ে বেশি দর্শনার্থীর জায়গা। মাজার কমপ্লেক্সে আছে ছোট টিলার ওপর সমাধি, মসজিদ আর একটি বড় পুকুর। সবার চোখে পড়ে দুটি জিনিস: ধূসর জালালি কবুতরের ঝাঁক — কেউ এদের ক্ষতি করে না, আর বলা হয় এরা সাধকের সঙ্গে জড়িত কবুতরের বংশধর — এবং দরগাহের পুকুরের মাছ, যাদের দর্শনার্থীরা খাবার দেন।
লাখো মানুষের কাছে এটি দেখার জায়গা নয়, ইবাদত আর দোয়ার স্থান। শ্রদ্ধা নিয়ে আসুন: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা, শুক্রবার আর বার্ষিক ওরসে সারা দেশ থেকে ভক্তরা আসেন, তখন ভিড় সবচেয়ে বেশি।