কক্সবাজার, চট্টগ্রাম

ইনানী সৈকত

বালুর ওপর ছড়ানো পাথর, শহরের সৈকতের চেয়ে শান্ত ও স্বচ্ছ পানি।

স্থানীয় খাবার

  • মাছ ভাজা

    ইনানী সৈকত

    সৈকতের দোকানে ভাজা মাছ আর কাঁকড়া, পাথরের দিকে তাকিয়ে খাওয়া।

  • ডাব

    ইনানী সৈকত

    সৈকতে ঢোকার পথের দোকানে তাজা কেটে দেয়।

কোথায় খাবেন

  • ইনানী সৈকতের প্রবেশপথের দোকান

    ইনানী সৈকত

    মাছ ভাজা, নাশতা, ডাব আর চা।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • ইনানীর কাছের রিসোর্টের রেস্তোরাঁ

    ইনানী সৈকত

    বসে ভরপেট খাওয়ার জায়গা; অনেকগুলোতে অতিথি না হলেও খাওয়া যায়।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • ইনানীর কাছে মেরিন ড্রাইভের পাশের রিসোর্ট

    ইনানী সৈকত

    সৈকতের পাশে থেকে গাড়ির ঝামেলা ছাড়াই ভোর আর সন্ধ্যায় পাথর দেখুন।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • কলাতলীর হোটেল

    ইনানী সৈকত

    বেশি বিকল্প, কম খরচ; ইনানী ঘুরে আসুন দিনে দিনে।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

ইনানী কক্সবাজারের দক্ষিণে, মেরিন ড্রাইভের পাশে উখিয়ার একটি সৈকত, তীরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কালো পাথরের জন্য পরিচিত। ভাটার সময় পাথরগুলো সারি সারি পানির ওপর জেগে ওঠে, আর মাঝের ছোট ডোবাগুলোতে ছোট মাছ আর কাঁকড়া দেখা যায়।

পাথরগুলো বড় ঢেউ আটকে দেয়, তাই এখানকার পানি সাধারণত শহরের সৈকতের চেয়ে শান্ত ও স্বচ্ছ, ভিড়ও অনেক কম। তীরের ঠিক পেছনেই বনঘেরা পাহাড়।

পাথরের ধারে ধীরে হাঁটা, শান্ত একটি বিকেল আর সূর্যাস্তের জন্য ইনানী সবচেয়ে ভালো — সন্ধ্যার নরম আলোয় পাথরের ছবি তুলতেই বেশির ভাগ মানুষ আসেন।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

ইনানীতে বিকেল ও সূর্যাস্ত

আধা দিন
  1. ধাপ ১: উপকূল ধরে যাত্রা

    দুপুরের খাবারের পর কক্সবাজার থেকে সিএনজি বা জিপে রওনা দিন, পথে হিমছড়িতে একটু থামুন।

  2. ধাপ ২: পাথরের ধারে হাঁটা

    ভাটা থাকতে থাকতে পাথর আর ছোট ডোবাগুলো ঘুরে দেখুন।

  3. ধাপ ৩: ডাবের বিরতি

    ছায়ায় বসে দোকানের ডাব বা মাছ ভাজা খান।

  4. ধাপ ৪: পাথরের ওপর সূর্যাস্ত

    সূর্য ডোবা পর্যন্ত থাকুন, তারপর মেরিন ড্রাইভ ধরে শহরে ফিরুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

নভেম্বর থেকে মার্চ; পাথর দেখতে ভাটার সময় আসুন, থেকে যান সূর্যাস্ত পর্যন্ত

কীভাবে যাবেন

শহর থেকে মেরিন ড্রাইভ ধরে দক্ষিণে প্রায় ২৫ কিলোমিটার, সিএনজি বা জিপে ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা।

ভ্রমণ টিপস

  • রওনা দেওয়ার আগে জোয়ার-ভাটার সময় জেনে নিন: জোয়ারে বেশির ভাগ পাথর পানির নিচে থাকে।
  • পাথর ধারালো, শ্যাওলায় পিচ্ছিল — শক্ত তলার স্যান্ডেল পরে সাবধানে হাঁটুন।
  • পানি শান্ত দেখালেও প্রায়ই লাইফগার্ড থাকে না; কেবল যেখানে গোসলের অনুমতি আছে সেখানে নামুন, একা কখনো নয়, আর লাল পতাকা থাকলে একেবারেই নয়।
  • পাথর, ঝিনুক আর সামুদ্রিক প্রাণী যেখানে আছে সেখানেই রেখে দিন।
  • হাঁটতে যাওয়ার আগে চালকের সঙ্গে অপেক্ষার সময় আর ফেরার ভাড়া ঠিক করে নিন।

ঘুরে দেখুন