
জামালপুর, ময়মনসিংহ
জামালপুর
যমুনা আর পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের মাঝের নদীর জেলা, নকশিকাঁথার জন্য পরিচিত; একেবারে উত্তরে লাউচাপড়ায় গারো পাহাড়ের পাদদেশ।
স্থানীয় খাবার
কোথায় খাবেন
কোথায় থাকবেন
সংস্কৃতি
জামালপুর পরিচিত নকশিকাঁথার জন্য — গ্রামবাংলার সূচিকর্ম করা কাঁথা — আর শাড়ি, শাল ও কাপড়ে হাতের সূচিকাজের জন্য; শহরের হস্তশিল্পের দোকানে কেনা যায়।
- শহরে শাহ জামালের মাজার তীর্থস্থান।
- উত্তরের সীমান্ত এলাকায় গারো ও অন্যান্য পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বাস।
- জেলাটি বাউলগান থেকে পুরোনো পালা পর্যন্ত বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোকসংগীতের অংশ।
ইতিহাস
জামালপুরকে গড়েছে পানি। প্রায় দুই শতাব্দী আগে গতিপথ বদলানোর পর থেকে ব্রহ্মপুত্রের মূল স্রোত যমুনা বয়ে গেছে জেলার পশ্চিম দিক দিয়ে, আর জেলা শহরের পাশ দিয়ে গেছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র। চওড়া চর, নদীর ঘাট আর কৃষিজমি নিয়েই জেলার বড় অংশ।
কথিত আছে, শহরের নাম এসেছে সুফি সাধক শাহ জামালের নাম থেকে; তাঁর মাজার শহরেই। ১৯৭৮ সালে বৃহত্তর ময়মনসিংহ থেকে আলাদা হয়ে জামালপুর জেলা হয়।
একেবারে উত্তরে, বকশীগঞ্জে, সমতল মিশেছে সীমান্তের গারো পাহাড়ের পাদদেশে; সেখানে বনঘেরা নিচু টিলার মাঝে লাউচাপড়া অবকাশ কেন্দ্র। জামালপুর সারা দেশে পরিচিত নকশিকাঁথা আর হাতের সূচিকর্মের জন্যও, যা গ্রামের নারীরা তৈরি করেন।
ভ্রমণের প্রস্তুতি
ভ্রমণের সেরা সময়
লাউচাপড়া আর চরের জন্য নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি; জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর নদী সবচেয়ে ভরা
কীভাবে যাবেন
- বাসে: ঢাকার মহাখালী টার্মিনাল থেকে জামালপুর শহরে ৪–৫ ঘণ্টা।
- ট্রেনে: ঢাকা থেকে জামালপুরে কয়েকটি ট্রেন চলে, ৪–৫ ঘণ্টা, কিছু উত্তরে দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত যায়; চলতি সময়সূচি দেখে নিন।
- ময়মনসিংহ থেকে বাসে বা ট্রেনে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা।
শহরে চলাচল
- জামালপুর শহরে রিকশা ও অটোরিকশা।
- লাউচাপড়ার জন্য বাস বা সিএনজিতে উত্তরে বকশীগঞ্জ, সেখান থেকে পার্কে।
- যমুনা আর তার চরের জন্য নদীর ঘাটে গিয়ে স্থানীয় মাঝির নৌকা ভাড়া নিন।