বগুড়া, রাজশাহী

খেরুয়া মসজিদ

১৫৮২ সালের তিন গম্বুজের ছোট ইটের মসজিদ, বাংলায় মোগল শাসনের গোড়ার দিকের, শেরপুরে নিরিবিলি সবুজ আঙিনায় দাঁড়িয়ে।

স্থানীয় খাবার

  • শেরপুরের দই

    খেরুয়া মসজিদ

    শেরপুরের মাটির হাঁড়ির দই বগুড়ার দইয়ের মতোই বিখ্যাত।

  • ছানার মিষ্টি

    খেরুয়া মসজিদ

    মহাসড়কের ধারের দোকানের রসগোল্লাসহ নানা মিষ্টি।

কোথায় খাবেন

  • শেরপুরে মহাসড়কের দোকান

    শেরপুর, বগুড়া

    বাসস্ট্যান্ডের কাছে দই-মিষ্টির দোকান আর সাধারণ রেস্তোরাঁ।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • বগুড়া শহর

    খেরুয়া মসজিদ

    বগুড়া থেকে শেরপুর সহজেই ঘুরে আসা যায়, আর হোটেলের বাছাই বগুড়াতেই বেশি।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

প্রবেশপথের ওপরের শিলালিপি অনুযায়ী খেরুয়া মসজিদ নির্মিত হয় ১৫৮২ সালে। লিপিতে আছে, এটি বানিয়েছিলেন মোগল আমলের কাকশাল গোত্রের সর্দার মির্জা মুরাদ খান, যখন বাংলা সবে আকবরের শাসনে আসছে।

মসজিদটি ছোট ও আয়তাকার, তিনটি গম্বুজ, পুরু দেয়াল, বাংলা ধাঁচের বাঁকা কার্নিশ আর কোণে কোণে অষ্টভুজ মিনার। এতে বাংলার সুলতানি স্থাপত্যরীতির সঙ্গে মিশেছে মোগল রীতির প্রথম ছোঁয়া, তাই অঞ্চলের স্থাপত্য-ইতিহাসে এটি গুরুত্বপূর্ণ।

খোলা, ঘাসে ঢাকা আঙিনায় দাঁড়ানো মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত, আর এখনো এখানে নামাজ হয়।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

ঢাকা–বগুড়া পথে এক যাত্রাবিরতি

২–৩ ঘণ্টা
  1. ধাপ ১: শেরপুরে নামা

    বাসে বলে রাখুন শেরপুর বাসস্ট্যান্ডে নামাবে।

  2. ধাপ ২: রিকশায় মসজিদে

    অল্প পথ খেরুয়া মসজিদ; দরজার ওপরের শিলালিপিটি খুঁজে দেখুন।

  3. ধাপ ৩: শেরপুরে দই

    মহাসড়কে ফিরে স্থানীয় দই খেয়ে পরের বাস ধরুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে মার্চ; নামাজের সময়, বিশেষ করে শুক্রবার দুপুর এড়িয়ে চলুন

কীভাবে যাবেন

বগুড়া থেকে ঢাকা মহাসড়কে দক্ষিণে ২০ কিলোমিটারের কিছু বেশি দূরে শেরপুর শহরে: দক্ষিণমুখী যেকোনো বাস ৩০–৪৫ মিনিটে শেরপুরে থামে। বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশায় কয়েক মিনিট।

ভ্রমণ টিপস

  • এটি চালু মসজিদ: শালীন পোশাক পরুন, ঢোকার আগে জুতা খুলুন, নামাজের সময় বাদে আসুন।
  • নারীরা মাথা ঢেকে নিন; ভেতরে যাওয়ার আগে অনুমতি নিন।
  • নামাজরত মানুষের ছবি তোলার আগে জিজ্ঞেস করুন।
  • মহাসড়কে ফেরার পথে শেরপুরের বিখ্যাত দই খেয়ে নিন।
  • ঢাকা-বগুড়া যাতায়াতের পথে সহজেই ঘুরে আসা যায়।

ঘুরে দেখুন