ঝালকাঠি, বরিশাল

কীর্তিপাশা জমিদারবাড়ি

কীর্তিপাশা গ্রামে এক পুরোনো জমিদার পরিবারের জীর্ণ দালান আর মন্দির, পেয়ারা-অঞ্চলের পথে।

স্থানীয় খাবার

  • পেয়ারা ও আমড়া

    কীর্তিপাশা জমিদারবাড়ি

    মৌসুমে রাস্তার ধারের বিক্রেতাদের কাছ থেকে।

  • চা ও হালকা খাবার

    কীর্তিপাশা জমিদারবাড়ি

    গ্রামের বাজারে।

কোথায় খাবেন

কোথায় থাকবেন

ইতিহাস

কীর্তিপাশা ছিল ঔপনিবেশিক আমলে বাকেরগঞ্জের এই অংশে জমিদারি থাকা এক হিন্দু জমিদার পরিবারের আবাস। তাঁদের জমিদারির চিহ্ন হিসেবে রয়ে গেছে খিলানওয়ালা বারান্দার কয়েকটি ইটের দালান, একটি মন্দির ও পুকুর, গ্রামের গাছপালার মাঝে।

১৯৪৭-এর পর পরিবারটি চলে যায়, দালানগুলো ধীরে ধীরে জীর্ণ হয়; কিছু অংশ এখন স্থানীয় মানুষ ব্যবহার করেন বা সেখানে থাকেন। কার্নিশে গাছ গজিয়েছে, তবু পুরোনো সম্মুখভাগে এখনো ঝালকাঠির নদীবাণিজ্যের সেই প্রাচুর্যের ছাপ।

এটি জাদুঘর নয় — জীবন্ত গ্রামের মধ্যে একটি পুরোনো জমিদারবাড়ি; ভীমরুলির ভাসমান হাটে যাওয়া-আসার পথে দেখে নেওয়াই ভালো।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

কীর্তিপাশা ও পেয়ারা-অঞ্চল

আধা দিন
  1. ধাপ ১: কীর্তিপাশার পথে

    সকালে ঝালকাঠি শহর থেকে অটোরিকশায়।

  2. ধাপ ২: জমিদারবাড়ি

    দালান, মন্দির আর পুকুরের চারপাশ ঘুরে দেখুন।

  3. ধাপ ৩: ভীমরুলির দিকে

    খালের দিকে এগিয়ে যান, মৌসুমে ভাসমান পেয়ারার হাট।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি, অথবা জুলাই–আগস্টে পেয়ারার মৌসুমের সঙ্গে মিলিয়ে

কীভাবে যাবেন

ঝালকাঠি শহর থেকে পশ্চিমে অটোরিকশা বা সিএনজিতে ২০–৩০ মিনিট; ভীমরুলি যাওয়ার পথেই।

ভ্রমণ টিপস

  • দালানের কিছু অংশ ভঙ্গুর: দেয়ালে উঠবেন না, ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে ঢুকবেন না।
  • কিছু দালান ব্যবহৃত বা বসবাসের — ভেতরে যাওয়ার আগে অনুমতি নিন, মানুষের গোপনীয়তার সম্মান করুন।
  • মন্দিরের কাছে শালীন পোশাক পরুন।
  • ঘণ্টাখানেক সময় রাখুন, ভীমরুলির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

ঘুরে দেখুন