চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী

কোতোয়ালি দরওয়াজা

গৌড় নগরীর পুরোনো দক্ষিণ তোরণ, ঠিক বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে দাঁড়িয়ে — বিশাল ইটের খিলান, একসময় নগরের কোতোয়াল যার পাহারায় ছিলেন।

স্থানীয় খাবার

  • আম

    কোতোয়ালি দরওয়াজা

    সীমান্তের পথ আমবাগানের ভেতর দিয়ে; মৌসুমে সবখানে আম বিক্রি হয়।

  • কালাই রুটি

    কোতোয়ালি দরওয়াজা

    শহরে ফিরে ভর্তা দিয়ে গরম কালাই রুটি।

কোথায় খাবেন

  • সোনামসজিদ এলাকার খাবারের দোকান

    শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

    স্থলবন্দরের কাছে সাধারণ ভাতের হোটেল ও চায়ের দোকান।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর

    কোতোয়ালি দরওয়াজা

    প্রায় এক ঘণ্টা দূরে সাধারণ মানের হোটেল; সীমান্তে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা নেই।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

কোতোয়ালি দরওয়াজা ছিল বাংলার সুলতানি আমলের প্রাচীরঘেরা রাজধানী গৌড়-এর দক্ষিণ ফটক। নামটি এসেছে কোতোয়াল, অর্থাৎ নগরের পুলিশপ্রধানের নাম থেকে, যাঁর চৌকি এখানে থেকে রাজধানীর পথ পাহারা দিত।

ফটকটি পুরু দেয়ালের উঁচু ইটের খিলান, প্রতিরক্ষার পাশাপাশি দর্শনার্থীকে মুগ্ধ করার জন্যও বানানো। গৌড়ের বেশির ভাগ অংশ এখন ভারতে, আর আধুনিক সীমান্ত ফটকের ঠিক পাশ দিয়ে গেছে; তাই এই একটি স্থাপনা পুরোনো নগরের সীমার পাশাপাশি দুই দেশের সীমাও চিহ্নিত করে।

পর্যটকের কাছে এটি গৌড়ের বিশালতার এক জোরালো স্মারক: শিবগঞ্জের মসজিদগুলো ছিল উত্তরে বহুদূর বিস্তৃত এক নগরীর দক্ষিণ প্রান্ত মাত্র।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

কোতোয়ালি দরওয়াজা ও গৌড়ের মসজিদ

আধা দিন
  1. ধাপ ১: সোনামসজিদের পথে

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে প্রায় এক ঘণ্টা।

  2. ধাপ ২: ছোট সোনামসজিদ

    মসজিদ দিয়ে শুরু করুন, তারপর ফটকে যাওয়ার বর্তমান নিয়ম স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।

  3. ধাপ ৩: কোতোয়ালি দরওয়াজা

    বিজিবি যতটা অনুমতি দেয় ততটা কাছ থেকে ফটকটি দেখুন, শূন্যরেখার কাছে যাবেন না।

  4. ধাপ ৪: দারসবাড়ির ধ্বংসাবশেষ

    ফেরার পথে দারসবাড়ি মসজিদ ও মাদ্রাসায় থামুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি, দিনের আলোয়

কীভাবে যাবেন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে সোনামসজিদের দিকে (প্রায় এক ঘণ্টা), তারপর ছোট সোনামসজিদের কাছ থেকে অটোরিকশায় সীমান্তের দিকে। শেষ অংশ বিজিবির নিয়ন্ত্রণে; কত কাছে যাওয়া যাবে, স্থানীয় চৌকিতে জিজ্ঞেস করুন।

ভ্রমণ টিপস

  • এটি সীমান্ত এলাকা: জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট সঙ্গে রাখুন এবং সব সময় বিজিবির নির্দেশ মানুন।
  • শূন্যরেখা পার হবেন না বা তার কাছে যাবেন না, সীমান্তচৌকি বা সদস্যদের ছবি তুলবেন না।
  • প্রবেশের নিয়ম বদলাতে পারে — যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে জেনে নিন, দূর থেকে দেখতে বলা হলে তা মেনে নিন।
  • শুধু দিনের আলোয় যান।
  • কাছের ছোট সোনামসজিদ, দারসবাড়ি ও তোহাখানার সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।

ঘুরে দেখুন