জামালপুর, ময়মনসিংহ

লাউচাপড়া অবকাশ কেন্দ্র

সীমান্তের বনঘেরা গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবকাশ কেন্দ্র; লেক, টিলার পথ আর পাহাড়ের ওপর দিয়ে তাকানোর উঁচু পর্যবেক্ষণ টাওয়ার।

স্থানীয় খাবার

  • পিকনিকের খাবার

    লাউচাপড়া অবকাশ কেন্দ্র

    বেশির ভাগ পর্যটক শহর থেকে খাবার আনেন; পার্কের কাছের দোকানে চা আর হালকা খাবার।

  • ভাত আর মাছ

    লাউচাপড়া অবকাশ কেন্দ্র

    বকশীগঞ্জ বাজারে সাধারণ খাবার।

কোথায় খাবেন

  • বকশীগঞ্জ বাজার

    বকশীগঞ্জ, জামালপুর

    পার্কের সবচেয়ে কাছের হোটেল-রেস্তোরাঁ।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • জামালপুর শহর

    জামালপুর

    জেলা শহরের হোটেল; লাউচাপড়া লম্বা এক দিনের ভ্রমণ।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • পার্কের রেস্টহাউস

    লাউচাপড়া

    পার্কে বা কাছে সীমিত থাকার ব্যবস্থা; স্থানীয়ভাবে জেনে আগে বুক করুন।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

লাউচাপড়া জামালপুরের একেবারে উত্তরে বকশীগঞ্জ উপজেলায়, যেখানে মেঘালয় সীমান্ত ধরে উঠে গেছে বনে ঢাকা নিচু টিলা। এটি অবকাশ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে, এখন জেলার সবচেয়ে পরিচিত বেড়ানোর জায়গা।

পার্কে আছে লেক, টিলার ভেতর দিয়ে পথ, পিকনিকের জায়গা আর পর্যবেক্ষণ টাওয়ার; ওপর থেকে দেখা যায় ভারতের দিকে বিস্তৃত বনঘেরা টিলা। আশপাশের গ্রামে বাঙালি কৃষকের পাশাপাশি গারো ও অন্যান্য পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বাস।

পাশের শেরপুরের গজনী আর মধুটিলার মতো লাউচাপড়াতেও শীতের পিকনিকের মৌসুমে ভিড় সবচেয়ে বেশি, বছরের বাকি সময় নিরিবিলি।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

লাউচাপড়ায় এক দিন

এক দিন
  1. ধাপ ১: ভোরে জামালপুর থেকে রওনা

    বাস বা ভাড়া সিএনজিতে উত্তরে বকশীগঞ্জ যান।

  2. ধাপ ২: পর্যবেক্ষণ টাওয়ার

    টাওয়ারে উঠে গারো পাহাড়ের পাদদেশের দৃশ্য দেখুন।

  3. ধাপ ৩: লেক আর টিলার পথ

    লেকের চারপাশে আর টিলার ভেতরের পথে হাঁটুন।

  4. ধাপ ৪: দুপুরের খাবার ও ফেরা

    বকশীগঞ্জে খেয়ে অন্ধকারের আগে জামালপুরে ফিরুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি; শুক্রবার ও ছুটির দিনের চেয়ে সাপ্তাহিক দিন নিরিবিলি

কীভাবে যাবেন

জামালপুর শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে উত্তরে দেড় থেকে দুই ঘণ্টায় বকশীগঞ্জ, সেখান থেকে অল্প পথ লাউচাপড়া। সারা দিনের জন্য সিএনজি বা গাড়ি ভাড়া নেওয়াই সবচেয়ে সহজ।

ভ্রমণ টিপস

  • এটি সীমান্ত এলাকা: জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট সঙ্গে রাখুন, বিজিবির নির্দেশ মানুন, সীমান্তের দিকে হাঁটবেন না।
  • মাঝে মাঝে পাহাড় থেকে বুনো হাতি নেমে আসে; অন্ধকারের আগে ফিরুন, স্থানীয়দের পরামর্শ মানুন।
  • প্রবেশ টিকিট আর খোলার সময় আছে; স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।
  • টিলার পথের জন্য ভালো জুতা পরুন, পানি সঙ্গে রাখুন।
  • কাছের গ্রামকে সম্মান করুন, মানুষের ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন।

ঘুরে দেখুন