ফরিদপুর, ঢাকা

মথুরাপুর দেউল

মধুখালীর খেতের মাঝে একা মাথা তোলা উঁচু, বহুকোণী ইটের দেউল, পোড়ামাটির অলংকরণসহ; প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষিত।

স্থানীয় খাবার

  • খেজুরের গুড়

    মথুরাপুর দেউল

    শীতে স্থানীয় বাজারে তাজা গুড়।

  • ভাত-মাছ

    মথুরাপুর দেউল

    মধুখালী বাজারে সাধারণ ভাত-মাছ।

কোথায় খাবেন

কোথায় থাকবেন

ইতিহাস

মথুরাপুর দেউল উঁচু, বহুকোণী ইটের মন্দির; দেয়াল গভীর খাঁজকাটা, পোড়ামাটির ফলকে অলংকৃত। ধারণা করা হয় এটি সতেরো শতকের দিকের, তবে কে এবং কেন বানিয়েছিলেন তা নিশ্চিত নয়; স্থানীয় নানা কাহিনিতে নানা জনের নাম জড়ানো।

সমতল খেতের ওপর মাথা তোলা দেউলটি দূর থেকেই দেখা যায়। পোড়ামাটির ফলকে মানুষের অবয়ব আর নকশা আছে, যদিও অনেকগুলো ক্ষয়ে গেছে।

এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষণে, আর ফরিদপুর অঞ্চলের সবচেয়ে নজরকাড়া পুরোনো স্থাপনাগুলোর একটি।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

মথুরাপুর দেউল আধা দিনে

আধা দিন
  1. ধাপ ১: বাসে মধুখালী

    ফরিদপুর শহর থেকে সকালের বাস ধরুন।

  2. ধাপ ২: ভ্যানে মথুরাপুর

    খেতের ভেতর দিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা ভ্যানে এগিয়ে যান।

  3. ধাপ ৩: দেউল

    দেউলের চারপাশ ঘুরে পোড়ামাটির কাজ দেখুন।

  4. ধাপ ৪: দুপুরের খাবার আর ফেরা

    মধুখালী বাজারে খেয়ে ফরিদপুরে ফিরুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

নভেম্বর থেকে মার্চ, সকালের বা পড়ন্ত বিকেলের আলোয়।

কীভাবে যাবেন

মধুখালী উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে। ফরিদপুর শহর থেকে মাগুরার সড়কে মধুখালীগামী বাসে, তারপর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা ভ্যানে মথুরাপুর; এক থেকে দেড় ঘণ্টা ধরে রাখুন।

ভ্রমণ টিপস

  • স্থাপনায় উঠবেন না, পোড়ামাটির ফলক ছোঁবেন না।
  • সুবিধা খুব কম: পানি আর হালকা খাবার সঙ্গে রাখুন।
  • সকাল আর পড়ন্ত বিকেলের আলোয় খাঁজকাটা দেয়াল সবচেয়ে সুন্দর দেখায়।
  • ফরিদপুর শহর বা মধুখালী বাজারের সঙ্গে মিলিয়ে ঘুরুন।

ঘুরে দেখুন