দিনাজপুর, রংপুর

নয়াবাদ মসজিদ

কান্তজিউ মন্দিরের অল্প দূরে আঠারো শতকের পোড়ামাটির অলংকরণে সাজানো তিন গম্বুজের ছোট মসজিদ।

স্থানীয় খাবার

  • গ্রামের চা

    নয়াবাদ মসজিদ

    পথের ছোট দোকানে চা আর বিস্কুট।

  • কাটারিভোগ চাল

    নয়াবাদ মসজিদ

    চারপাশের খেতেই এর চাষ; শহরে তরকারির সঙ্গে বা পোলাও হিসেবে খেয়ে দেখুন।

কোথায় খাবেন

  • দিনাজপুর শহর

    দিনাজপুর সদর

    মসজিদের কাছে তেমন খাবারের ব্যবস্থা নেই; শহরে খাওয়ার পরিকল্পনা করুন।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • দিনাজপুর শহর

    দিনাজপুর সদর

    শহরে থেকে কান্তজিউ ভ্রমণের সঙ্গে ঘুরে আসুন।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

নয়াবাদ মসজিদ আঠারো শতকের শেষ দিকের; প্রবেশপথের ওপরের শিলালিপি অনুযায়ী এটি নির্মিত হয় মোগল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের আমলে। স্থানীয় জনশ্রুতি বলে, কান্তজিউ মন্দিরের কাজে আসা মুসলমান কারিগরেরা কাছেই বসতি গড়ে মসজিদটি তৈরি করেন।

চার কোণে মিনার আর তিনটি গম্বুজের সাধারণ ভবন, দেয়ালে আজও লতাপাতা আর জ্যামিতিক নকশার পোড়ামাটির ফলক — মন্দিরের শিল্পেরই এক শান্ত প্রতিধ্বনি। এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত, আর এখনো এখানে নামাজ হয়।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

মন্দির ও মসজিদ

আধা দিন
  1. ধাপ ১: আগে কান্তজিউ

    সকালে কান্তজিউ মন্দির দিয়ে শুরু করুন।

  2. ধাপ ২: নয়াবাদের পথে

    গ্রামের পথে ভ্যান বা অটোরিকশায় মসজিদে যান।

  3. ধাপ ৩: মসজিদ

    নামাজের সময় বাদে গম্বুজ আর পোড়ামাটির ফলক দেখুন।

  4. ধাপ ৪: দিনাজপুরে ফেরা

    দুপুরের খাবারের জন্য শহরে ফিরুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি, নামাজের সময় বাদে

কীভাবে যাবেন

কাহারোল উপজেলায়, কান্তনগর থেকে কয়েক কিলোমিটার; আগে কান্তজিউ মন্দিরে যান (দিনাজপুর থেকে প্রায় ৪০ মিনিট), তারপর স্থানীয়দের কাছে গ্রামের পথ জেনে নিন; শেষটুকু ভ্যান বা অটোরিকশায়।

ভ্রমণ টিপস

  • এটি চালু মসজিদ: নামাজের সময় বাদ দিয়ে যান, শালীন পোশাক পরুন, ঢোকার আগে জুতা খুলুন।
  • নারীরা মাথা ঢেকে নিন; ভেতরে যাওয়ার আগে জিজ্ঞেস করে নিন।
  • বাইরের দেয়ালের পোড়ামাটির ফলকগুলো কাছ থেকে দেখুন।
  • কান্তজিউ মন্দিরের সঙ্গে আধা দিনে মিলিয়ে নিন।

ঘুরে দেখুন