বরিশাল

অক্সফোর্ড মিশন চার্চ

বিংশ শতকের গোড়ায় অ্যাংলিকান অক্সফোর্ড মিশনের তৈরি উঁচু লাল ইটের গির্জা, বরিশাল শহরের মাঝখানে, চারপাশে শান্ত, গাছে ছাওয়া প্রাঙ্গণ।

স্থানীয় খাবার

  • ইলিশ-ভাত

    অক্সফোর্ড মিশন চার্চ

    শহরের কোনো ভাতের হোটেলে নদীর মাছ দিয়ে দুপুরের খাবার।

  • মিষ্টি ও দই

    অক্সফোর্ড মিশন চার্চ

    শহরের কেন্দ্রের মিষ্টির দোকান থেকে।

কোথায় খাবেন

  • সদর রোড

    বরিশাল শহর

    অল্প দূরেই রেস্তোরাঁ, মিষ্টির দোকান আর চায়ের দোকান।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • বরিশাল শহরের কেন্দ্র

    বরিশাল শহর

    বেশির ভাগ হোটেল গির্জা থেকে অল্প পথের মধ্যে।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

অক্সফোর্ড মিশন একটি অ্যাংলিকান মিশন, যা ঊনবিংশ শতকের শেষ দিকে অক্সফোর্ড থেকে বাংলায় এসে বরিশালে ঘাঁটি গড়ে; এখানে তারা গির্জা, বিদ্যালয় আর সেবামূলক কাজ চালায়। এর গির্জা, চার্চ অব দ্য এপিফানি, ১৯০০-এর দশকের শুরুতে নির্মাণ শেষ হয়, আর শহরের সবাই একে চেনে অক্সফোর্ড মিশন চার্চ নামে।

ভবনটি উঁচু, অনাড়ম্বর আর গাম্ভীর্যপূর্ণ লাল ইটের গির্জা; লম্বা প্রার্থনাকক্ষে সারি সারি খিলান-জানালা দিয়ে আলো আসে, চারপাশে লন, গাছ আর পুকুরসহ বড় প্রাঙ্গণ। দক্ষিণ বাংলাদেশের ঔপনিবেশিক আমলের সবচেয়ে নজরকাড়া ভবনগুলোর এটি একটি।

মিশন এখনো এখানে কাজ করে, আর গির্জাটি আজও বরিশালের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের উপাসনার স্থান।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

পুরোনো বরিশালে একটি সকাল

আধা দিন
  1. ধাপ ১: লঞ্চঘাটের কাছে নাশতা

    লঞ্চে এলে শহর জেগে ওঠার সময় ঘাটের কাছে নাশতা দিয়ে শুরু করুন।

  2. ধাপ ২: অক্সফোর্ড মিশন চার্চ

    গেটে অনুমতি নিয়ে লাল ইটের গির্জা আর তার শান্ত প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখুন।

  3. ধাপ ৩: সদর রোড

    শহরের প্রধান সড়ক ধরে হাঁটুন, চা আর মিষ্টির জন্য থামুন।

  4. ধাপ ৪: কীর্তনখোলা

    নদীর ধারে লঞ্চ আর নৌকার আসা-যাওয়া দেখে শেষ করুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

অক্টোবর থেকে মার্চ, সকালে বা পড়ন্ত বিকেলে; উপাসনায় যোগ না দিলে প্রার্থনার সময় এড়িয়ে চলুন

কীভাবে যাবেন

বরিশাল শহরের ভেতরেই; সদর রোড বা লঞ্চঘাট থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় অল্প পথ।

ভ্রমণ টিপস

  • এটি সক্রিয় গির্জা ও মিশন প্রাঙ্গণ: ঢোকার আগে গেটে অনুমতি নিন, আর সে সময়ে দর্শনার্থী প্রবেশ নিষেধ থাকলে তা মেনে নিন।
  • পর্যটকদের জন্য নির্দিষ্ট সময় নেই — স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।
  • শালীন পোশাক পরুন, ভেতরে আস্তে কথা বলুন।
  • ভেতরের বা মানুষের ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন।
  • সন্ধ্যায় কীর্তনখোলার পাড়ে হাঁটার সঙ্গে মিলিয়ে ঘুরুন।

ঘুরে দেখুন