ফরিদপুর, ঢাকা

পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের বাড়ি

কুমার নদের তীরে কবি জসীমউদ্‌দীনের পৈতৃক বাড়ি, তাঁর লেখায় আসা ডালিম গাছের তলায় তাঁর কবর আর একটি ছোট জাদুঘর।

স্থানীয় খাবার

  • মেলার পিঠা

    পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের বাড়ি

    পল্লীমেলার দোকানে খেজুরের গুড় দিয়ে শীতের পিঠা।

  • নদীর মাছ

    পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের বাড়ি

    ফরিদপুর শহরে ভাতের সঙ্গে মাছের তরকারি।

কোথায় খাবেন

কোথায় থাকবেন

সংস্কৃতি

জানুয়ারির জসীম পল্লীমেলা জেলার সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন — লোকগান, যাত্রা, নকশি কাঁথাসহ নানা কারুপণ্য আর গ্রামীণ খাবার।

ইতিহাস

জসীমউদ্‌দীন (১৯০৩–১৯৭৬) কুমার নদের তীরের এই বাড়িতে বড় হয়েছেন। সহজ, সুরেলা ভাষায় কৃষক, মাঝি, গ্রামের প্রেম আর বিরহ নিয়ে লিখে তিনি হয়ে ওঠেন গ্রামবাংলার কবি — পল্লীকবি। নকশী কাঁথার মাঠ আর কবর কবিতা বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে পরিচিত রচনাগুলোর মধ্যে।

পৈতৃক বাড়িটি সংরক্ষিত আছে: টিনের চালের পুরোনো ঘর, উঠান, আর তাঁর ব্যবহৃত জিনিস, চিঠি ও ছবির জাদুঘর। তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী কবিকে এখানেই সমাহিত করা হয়েছে, কবর কবিতার স্মৃতিবাহী ডালিম গাছের পাশে।

প্রতি জানুয়ারিতে তাঁর জন্মদিন ঘিরে জসীম পল্লীমেলা নদীর পাড় ভরিয়ে তোলে লোকগান, কারুপণ্য আর খাবারে।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

কবির ফরিদপুর

আধা দিন
  1. ধাপ ১: সকালে অম্বিকাপুর

    ফরিদপুর শহর থেকে কবির বাড়িতে যান।

  2. ধাপ ২: বাড়ি ও জাদুঘর

    পৈতৃক ঘর, জাদুঘর আর কবির কবর দেখুন।

  3. ধাপ ৩: কুমার নদ

    তাঁর কবিতায় বয়ে চলা নদের ধারে হাঁটুন।

  4. ধাপ ৪: শাহ ফরিদের মাজার

    শহরে ফিরে যাঁর নামে ফরিদপুর, সেই সাধকের মাজার দেখুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি; জসীম পল্লীমেলার জন্য জানুয়ারি। জাদুঘর খোলার দিন স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।

কীভাবে যাবেন

ফরিদপুর শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে অম্বিকাপুরে (গোবিন্দপুর)। শহর থেকে রিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা সিএনজিতে ১৫–২০ মিনিট।

ভ্রমণ টিপস

  • যাওয়ার আগে জাদুঘর খোলার দিন ও সময় স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।
  • কবির কবরের পাশে নীরব ও শ্রদ্ধাশীল থাকুন।
  • জানুয়ারির মেলায় ভিড় হয়; দিনের শুরুতে যান।
  • যাওয়ার আগে কবর বা নকশী কাঁথার মাঠ পড়ে নিন।
  • বাড়ির পেছনে কুমার নদের ধারে হেঁটে আসুন।

ঘুরে দেখুন