পিরোজপুর শহর ও রায়েরকাঠি
আধা দিনধাপ ১: শহরে সকাল
পিরোজপুরে নাশতা আর নদীর ধারে হাঁটা।
ধাপ ২: রায়েরকাঠি
জমিদারবাড়িতে গিয়ে দালান, মন্দির আর পুকুরের চারপাশ ঘুরে দেখুন।
ধাপ ৩: দুপুরের খাবারে ফেরা
ভাত, নদীর মাছ আর মিষ্টির জন্য শহরে ফিরুন।
পিরোজপুর, বরিশাল
পিরোজপুর শহরের ঠিক বাইরে রায়েরকাঠি জমিদারদের পুরোনো প্রাসাদ ও মন্দির।
রায়েরকাঠি ছিল পিরোজপুর অঞ্চলের পুরোনো জমিদার পরিবারগুলোর একটির আবাস, যাঁদের জমিদারির সূচনা মোগল আমলে বলে কথিত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পরিবারটি শহরের কাছে পুকুর ঘিরে কয়েকটি বসতবাড়ি, কাছারিঘর ও একাধিক মন্দির গড়ে তোলে।
জমিদারি প্রথা উঠে যাওয়ার পর এবং পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য চলে যাওয়ায় দালানগুলো জীর্ণ হয়ে পড়ে। কিছু এখন গাছে ঢাকা ধ্বংসাবশেষ, কিছু এখনো দাঁড়িয়ে — খিলানের দরজা আর অলংকৃত ইটের কাজ নিয়ে। মন্দিরগুলোতে এখনো পূজা হয়, বিশেষ করে হিন্দু উৎসবের সময়।
জায়গাটি অগোছালো ও শান্ত — একসময় দক্ষিণবঙ্গের গ্রামাঞ্চল শাসন করা জমিদারিগুলোর এক ঝলক।
পিরোজপুরে নাশতা আর নদীর ধারে হাঁটা।
জমিদারবাড়িতে গিয়ে দালান, মন্দির আর পুকুরের চারপাশ ঘুরে দেখুন।
ভাত, নদীর মাছ আর মিষ্টির জন্য শহরে ফিরুন।
অক্টোবর থেকে মার্চ
পিরোজপুর শহর থেকে অটোরিকশা বা রিকশায় অল্প পথ।