শেরপুর, ময়মনসিংহ

শেরপুর

গারো পাহাড়ের কিনারে নিরিবিলি এক জেলা; গজনী ও মধুটিলায় বনঘেরা টিলা, লেক আর ইকোপার্ক, গারো ও হাজং গ্রাম, আর সুগন্ধি তুলসীমালা চাল।

স্থানীয় খাবার

  • তুলসীমালা চাল

    শেরপুর

    শেরপুরের ছোট দানার সুগন্ধি চাল, পোলাও, পায়েস আর উৎসবের রান্নায়; বাড়ি নিয়ে যাওয়ার মতো জিনিস।

  • শীতের পিঠা

    শেরপুর

    রাস্তার পাশের দোকানে ভাপা আর চিতই পিঠা, গুড় বা ভর্তার সঙ্গে।

  • গারো খাবার

    শেরপুর

    পাহাড়ি গ্রামে গারো রান্না, যেমন বাঁশের চোঙায় রান্না মাংস আর খারু দিয়ে রান্না পদ।

কোথায় খাবেন

  • শেরপুর শহর

    শেরপুর

    শহরের কেন্দ্রের আশপাশে রেস্তোরাঁ আর মিষ্টির দোকান।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী বাজার

    শেরপুর

    গজনী ও মধুটিলার পথে সাধারণ খাবার।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • শেরপুর শহর

    শেরপুর

    জেলার বেশির ভাগ হোটেল এখানে; দুটি পার্কই এখান থেকে দিনে দিনে ঘুরে আসা যায়।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • সরকারি রেস্টহাউস

    পার্কের কাছে

    পার্কের কাছে রেস্টহাউস আছে, তবে বুকিংয়ের নিয়ম ভিন্ন; আগে স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

সংস্কৃতি

শেরপুরের টিলাঘেরা এলাকায় গারো (মান্দি), হাজং ও কোচ জনগোষ্ঠীর বাস, সমতলে বাঙালি সংখ্যাগরিষ্ঠ। অনেক গারো গ্রাম খ্রিষ্টান, সেখানে গির্জা আর মিশন স্কুল।

  • পাহাড়ি গ্রামের বড় উৎসব গারোদের নবান্ন ওয়ানগালা আর বড়দিন।
  • শেরপুর বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোকসংগীতের ঐতিহ্যের অংশ, মৈমনসিংহ গীতিকার পালাসহ।

ইতিহাস

শেরপুর পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের উত্তরে, যেখানে ময়মনসিংহের সমতল মিশেছে গারো পাহাড়ের পাদদেশে। উত্তরের উপজেলাগুলো — ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী আর নালিতাবাড়ী — মেঘালয় সীমান্ত ধরে বনঘেরা নিচু টিলার সারি।

একসময় বৃহত্তর ময়মনসিংহের অংশ শেরপুর ১৯৮৪ সালে আলাদা জেলা হয়। টিলাঘেরা এলাকায় গারো (মান্দি), হাজং, কোচসহ নানা জনগোষ্ঠীর বাস, আর শহরে এখনো আছে জমিদার আমলের কিছু পুরোনো ভবন — যখন এটি স্থানীয় ভূস্বামীদের আসন ছিল।

পর্যটকের কাছে শেরপুর মানে পাহাড়: গজনী আর মধুটিলার ইকোপার্ক, বনের পথ আর লেক, আর বিভাগের অন্য জায়গার চেয়ে ধীর ছন্দ।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি, যখন টিলা সবুজ, বাতাস ঠান্ডা আর পথ শুকনো

কীভাবে যাবেন

  • বাসে: ঢাকার মহাখালী টার্মিনাল থেকে শেরপুর শহরে ৪–৫ ঘণ্টা। কিছু বাস পাহাড়ের কাছে ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী পর্যন্ত যায়।
  • ট্রেনে: শেরপুর শহরে রেলপথ নেই; ট্রেনে ময়মনসিংহ বা জামালপুর গিয়ে বাস বা সিএনজিতে যেতে পারেন।
  • ময়মনসিংহ থেকে বাসে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা।

শহরে চলাচল

  • শেরপুর শহরে রিকশা ও অটোরিকশা।
  • গজনীর জন্য ঝিনাইগাতী হয়ে, মধুটিলার জন্য নালিতাবাড়ী হয়ে — লোকাল বাস, সিএনজি বা ভাড়া গাড়িতে।
  • দুটি পার্ক একসঙ্গে দেখতে সারা দিনের জন্য সিএনজি বা গাড়ি ভাড়া নেওয়াই সবচেয়ে সহজ।

ঘুরে দেখুন