হবিগঞ্জ, সিলেট

তেলিয়াপাড়া মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ

তেলিয়াপাড়া চা-বাগানের স্মৃতিসৌধ, যেখানে ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল বাঙালি জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তারা মুক্তিযুদ্ধের পরিকল্পনা করতে বৈঠকে বসেছিলেন।

স্থানীয় খাবার

  • বাগানের চা

    তেলিয়াপাড়া মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ

    কাছের রাস্তার পাশের দোকানে এক কাপ স্থানীয় চা।

  • মাছ-ভাত

    তেলিয়াপাড়া মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ

    মাধবপুর বা শায়েস্তাগঞ্জে সাদামাটা খাবার।

কোথায় খাবেন

  • মাধবপুর ও শায়েস্তাগঞ্জ

    হবিগঞ্জ

    মহাসড়কের রেস্তোরাঁ আর স্থানীয় খাবারের দোকান।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

কোথায় থাকবেন

  • হবিগঞ্জ শহর

    হবিগঞ্জ

    শহরের হোটেল; দিনে দিনে তেলিয়াপাড়া ঘুরে আসা যায়।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • চা-বাগান এলাকার রিসোর্ট

    চুনারুঘাট ও বাহুবল

    বাগানের মাঝে রিসোর্ট, সাতছড়ি ও তেলিয়াপাড়ার কাছে।

    গুগল ম্যাপসে খুলুন (নতুন ট্যাবে খুলবে)

ইতিহাস

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সপ্তাহগুলোতে ভারত সীমান্তের কাছের তেলিয়াপাড়া চা-বাগান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা বাঙালি সৈন্যদের সদর দপ্তর হয়ে ওঠে। ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল এম এ জি ওসমানীসহ বাঙালি জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তারা বাগানের ব্যবস্থাপকের বাংলোয় বৈঠকে বসে প্রতিরোধ সংগঠনের প্রাথমিক পরিকল্পনা ঠিক করেন, যা পরে যুদ্ধের সেক্টরভিত্তিক কাঠামোয় রূপ নেয়।

সেই বৈঠকের স্মরণে বাগানের ভেতরে, নিচু টিলার চা-গাছের মাঝে এখন একটি স্মৃতিসৌধ। বাংলোটি নিজে চালু চা-বাগানেরই অংশ।

তেলিয়াপাড়ায় অল্প সময় লাগে, কিন্তু ১৯৭১-এর ইতিহাসে জায়গাটি গুরুত্বপূর্ণ, আর চারপাশের চা-বাগানে হাঁটতেও ভালো লাগে।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

সিলেটের পথে তেলিয়াপাড়া

২–৩ ঘণ্টা
  1. ধাপ ১: পৌঁছানো — চা-বাগান

    সিএনজি বা গাড়িতে মহাসড়ক থেকে তেলিয়াপাড়া চা-বাগানে ঢুকুন।

  2. ধাপ ২: স্মৃতিসৌধ

    স্মৃতিসৌধে কিছুক্ষণ কাটান, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিলের বৈঠকের কথা পড়ে নিন।

  3. ধাপ ৩: বাগানে হাঁটা

    স্মৃতিসৌধের চারপাশের নিচু টিলায় চা-গাছের সারির মাঝে হাঁটুন।

  4. ধাপ ৪: এরপর — সাতছড়ি

    কাছের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে যান, অথবা আবার মহাসড়ক ধরে সিলেটের পথে।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভ্রমণের সেরা সময়

সারা বছর; ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বরের আশপাশে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ

কীভাবে যাবেন

হবিগঞ্জ শহর থেকে শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে মাধবপুরের দিকে সিএনজি বা গাড়িতে প্রায় এক ঘণ্টা; চা-বাগানটি ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক ও সাতছড়ির কাছে, তাই দুটো একসঙ্গে ঘোরা সহজ।

ভ্রমণ টিপস

  • এটি চালু চা-বাগান: পথের বাইরে যাবেন না, বাগানের কর্মীদের নির্দেশনা মানুন।
  • বাংলোয় প্রবেশ সীমিত থাকতে পারে; মূল দেখার জায়গা স্মৃতিসৌধ।
  • একই দিনে সাতছড়ির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
  • পরিদর্শনের নিয়ম বদলাতে পারে; স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।

ঘুরে দেখুন