অষ্টাদশ শতকে নাটোর রাজের দেওয়ান দয়ারাম রায় দিঘাপতিয়া রাজের প্রতিষ্ঠা করেন; পুরস্কার হিসেবে তিনি নিজস্ব জমিদারি পান। তাঁর পরিবার দিঘাপতিয়ায় প্রাসাদ গড়ে; ১৮৯৭ সালের বড় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বিশ শতকের গোড়ায় তা নতুন করে তৈরি হয় — আজকের রূপ মূলত সেটিই।
ষাটের দশকে প্রাসাদটি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হাউস হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে নাম হয় উত্তরা গণভবন, আর আজও এটি সরকারপ্রধানের দাপ্তরিক বাসভবন, উত্তরাঞ্চলে বৈঠক ও সফরে ব্যবহৃত হয়।
চত্বরটি পরিখা আর প্রাচীরে ঘেরা; আছে জমকালো ফটক ও ঘড়িঘর, মূল প্রাসাদ, ছোট ছোট ভবন, দিঘি আর দুর্লভ গাছে সাজানো বাগান। দিঘাপতিয়া রাজাদের ব্যবহৃত জিনিসের জাদুঘরসহ এর কিছু অংশ জনসাধারণের জন্য খোলা।