ভাসুবিহার — স্থানীয়ভাবে নরপতির ধাপ নামেও পরিচিত — কয়েকটি নিচু ঢিবি, যার নিচে লুকিয়ে ছিল বৌদ্ধ স্থাপনা। ১৯৭০-এর দশকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খননে বেরিয়ে আসে আঙিনা ঘিরে ভিক্ষুদের কক্ষসহ দুটি বিহার আর একটি ক্রুশাকার মন্দির, সঙ্গে পোড়ামাটির ফলক, ব্রোঞ্জের মূর্তিসহ নানা নিদর্শন।
অনেক পণ্ডিত স্থানটিকে পো-শি-পো বিহার বলে শনাক্ত করেন — পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানীর কাছের যে বিহারের কথা সপ্তম শতকে চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং লিখেছিলেন, যেখানে শত শত ভিক্ষু পড়াশোনা করতেন। তা-ই যদি হয়, তবে এটি ছিল মহাস্থানগড় আর আরও পশ্চিমের পাহাড়পুরের জগতেরই এক শিক্ষাকেন্দ্র।
আজ টিকে আছে মাটি থেকে সামান্য উঁচু ইটের ভিত ও দেয়াল, খেত আর গাছপালার মাঝে। মহাস্থানের চেয়ে অনেক নিরিবিলি; হেঁটে হেঁটে কক্ষ আর আঙিনার নকশা বোঝা যায়।