সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, চা-বাগান আর শত বছরের ইতিহাস। পরের ভ্রমণের জায়গা বেছে নিন, তারপর সেখানে যাওয়ার বাসের টিকিট কাটুন।
বনগাজীপুর, ঢাকাভাওয়াল জাতীয় উদ্যানঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে পুরোনো ভাওয়াল শালবনের সংরক্ষিত অংশ, ছায়াঘেরা পথ, জলাশয় আর পিকনিক স্পট।- বনভোলা, বরিশালচর কুকরি-মুকরিভোলার দক্ষিণ প্রান্তের ম্যানগ্রোভ দ্বীপ; চিত্রা হরিণ, বানর আর শীতে কাদাচরে অতিথি পাখির ঝাঁক নিয়ে একটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।
- বনবরগুনা, বরিশালহরিণঘাটা বনপাথরঘাটার কাছে বিষখালী ও বলেশ্বরের মোহনায় উপকূলীয় বন — গাছের ফাঁকে হাঁটাপথ আর ওপারে নিরিবিলি সৈকত।
বনমৌলভীবাজার, সিলেটলাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানউল্লুকের আবাস এই বর্ষাবনের ভেতর দিয়ে চলে গেছে রেললাইন।- বনটাঙ্গাইল, ঢাকামধুপুর জাতীয় উদ্যানমধুপুর গড়ের লাল মাটির শালবন; বানর, পাখি আর গারো ও কোচ সম্প্রদায়ের আবাস, গাছের ছায়ায় হাঁটার পথ।
- বনশেরপুর, ময়মনসিংহমধুটিলা ইকোপার্কগারো পাহাড়ের পাদদেশে বন বিভাগের ইকোপার্ক; বনের পথ, লেক আর মেঘালয়ের পাহাড়ের দিকে তাকানোর পর্যবেক্ষণ টাওয়ার।
বনসিলেটরাতারগুল জলাবনবছরের বড় সময় পানিতে ডুবে থাকা মিঠাপানির বন, ঘুরতে হয় ছোট ডিঙি নৌকায়।- বনহবিগঞ্জ, সিলেটরেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যত্রিপুরা সীমান্তে দেশের টিকে থাকা সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক পাহাড়ি বনগুলোর একটি — লম্বা ট্রেইল, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার আর নানা পাখি।
- বনহবিগঞ্জ, সিলেটসাতছড়ি জাতীয় উদ্যানঢাকা–সিলেট সড়কের পাশে ছোট কিন্তু সমৃদ্ধ পাহাড়ি বন — চিহ্নিত ট্রেইল, গাছের মাথা ছোঁয়া পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, উল্লুক আর ভেতরে একটি ত্রিপুরা গ্রাম।
বনবাগেরহাট, খুলনামোংলা হয়ে সুন্দরবনবিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, বাংলার বাঘের আবাস: মোংলা থেকে নৌকায় অল্প সময়ে করমজল, অথবা পর্যটক নৌযানে কয়েক দিনে পূর্ব সুন্দরবনের গভীরে।- বনসাতক্ষীরা, খুলনামুন্সীগঞ্জ হয়ে সুন্দরবনসুন্দরবনের তুলনামূলক নিরিবিলি পশ্চিম প্রান্ত, শ্যামনগরের মুন্সীগঞ্জ থেকে নৌকায় — ম্যানগ্রোভের খাল, বন বিভাগের ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র আর বনের দোরগোড়ায় গ্রামীণ জীবন।
- বনবরগুনা, বরিশালটেংরাগিরি (ফাতরার বন)বঙ্গোপসাগরের তীরে উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন ও বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, লোকমুখে ফাতরার বন, কখনো ‘দ্বিতীয় সুন্দরবন’।
জনপ্রিয় গন্তব্য
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি যাওয়া রুট — প্রতিদিনই বাস ছাড়ে।



